নওয়াপাড়ার বিশিষ্ট ব্যবসয়ী আনিসুর রহমানের হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস পাকিস্তানের বিপক্ষে ‘হ্যাটট্রিক’ টেস্ট জয় বাংলাদেশের উলিপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময় বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের বড় দর পতন মৌলভীবাজার ইসলামিক স্কুলে ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন জাতি গঠনে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি লিয়াকত সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর ট্রেজারার কানন সম্পত্তির জন্য সন্তানের হাতে বাবা ও ভাই খুন শার্শায় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: পরোয়ানাভুক্ত ৭ জন গ্রেফতার শিবচরে জুয়া-মাদকের অন্ধকার সাম্রাজ্য: রাতভর মোটরসাইকেলের বহর, আতঙ্কে স্থানীয়রা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : পীরগাছায় আখতার হোসেন পীরগাছায় তানজিমুল হিকমাহ রেসিডেন্সিয়াল মডেল একাডেমি পরিদর্শনে এমপি আখতার হোসেন পীরগাছায় আল ফোরকান ক্যাডেট মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ দিনাজপুরে শীর্ষ সন্ত্রাসী মুসা ও তার সহযোগী কথিত স্ত্রী গ্রেফতার আলোচিত টিকটকার শিক্ষার্থীর ছাড়পত্র প্রত্যাহার লাখাইয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিময়। পিস্তল ও গুলিসহ বিরামপুরের ‘মাদক সম্রাট’ রবিউল আটক ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা নান্দাইলে আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ

জয়পুরহাটে বড় ভাইকে হত্যার দায়ে ছোট সৎ ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড


জয়পুরহাটে খাজামুদ্দিন নামে এক কবিরাজকে হত্যার মামলায় ছোট সৎ ভাই সাদ্দাম হোসেনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সিনিয়র দায়রা জজ নূর ইসলাম এ আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সাদ্দাম হোসেন জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার মালিপাড়া এলাকার মৃত জসিম উদ্দীনের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত সাদ্দামের সৎ বড় ভাই ছিলেন খাজামুদ্দিন।

তাদের মধ্যে পৈত্রিক জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর রাতে ক্ষেতলাল উপজেলার দাশরা ফকিরপাড়া গ্রামে খাজামুদ্দিন ও তার স্ত্রী শাহিদা রাতের খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। সে রাতে তার বাড়িতে জোর করে প্রবেশ করেন সাদ্দাম। পরে তার সাথে কথাকাটির এক পর্যায়ে খাজামুদ্দিনকে এলোপাথারি ছুরি দিয়ে আঘাত করার পর গলা কেটে হত্যা করে সাদ্দাম।

এসময় খাজামুদ্দিনের বাড়ির কাজের লোক মন্তাজ ও তার স্ত্রী এগিয়ে এলে তাদেরও ছুরিকাঘাত করে আসামি।

এরপর পাশের ঘরে থাকা নিহতের পুত্রবধূ রেহেনা বিষয়টি দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে পালানোর সময় স্থানীয়রা এসে সাদ্দামকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরের দিন সকালে নিহতের লাশ মর্গে পাঠায় পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আলম হোসেন বাদী হয়ে ১২ নভেম্বর ক্ষেতলাল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এরপর ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সাদ্দামের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আলমগীর হোসেন। এ মামলায় ১৫ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালত আজ এ রায় দেন।

Tag
আরও খবর
6a0347b58f840-120526093101.webp
তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস

৩ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে