রাজনৈতিক পরিচয়ে লুটপাট, সম্পদ দখল করতেই রতনকে হত্যা: কর্নেল বাতেন আদমদীঘিতে মাদক বেচা-কেনার অভিযোগ: হিজরাপট্টিতে এলাকাবাসীর অগ্নিসংযোগ আদমদীঘিতে বিএনপি নেতা মেম্বার প্রার্থীর পূজামন্ডপে আর্থিক সহায়তা ও গেঞ্জি বিতরণ আসন্ন ইউপি নির্বাচন ঘিরে কৃষ্ণনগরে জি এম রবিউল্যাহ বাহারের কর্মী সমাবেশ, ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান নোয়াখালীতে অটোরিকশা চালকের রহস্যজনক মৃত্যু শেরপুরের শ্রীবরদীতে খাল থেকে ড্রামে নারীর মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত শ্যামনগরে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় প্রটোকল ভেঙে জনগণের সঙ্গে মিশলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কচুয়ায় সাচারে শ্রী শ্রী শারদীয় দূর্গা পূজার মন্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শিক্ষামন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জয়পুরহাটে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি রাজশাহী কাটাখালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৭০০ ট্যাপেন্টাডল ও ১.৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ নগদ ১১ লাখ ৬৭ হাজার ১৭০ টাকা ও মোবাইল ফোন জব্দ শ্যামনগরের দ্বীপ ইউপি গাবুরায় মেগা প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ মানবিক উদ্যোগে শেরপুরবাসীর আস্থা অর্জনে এগিয়ে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন লালপুরে মাজার ও মসজিদে চুরি মোংলা বন্দরের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সফর, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে প্রত্যাশা ঢাকার সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ৪ উদ্যোগ সরকারের সাজেকে আবারও অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ঘোষণা ডেঙ্গু প্রতিরোধে কালাইয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী ২১ বছরের গবেষণায় ২৫ জাতের ধান উদ্ভাবন, স্বীকৃতির অপেক্ষায় কৃষক সেন্টু হাজং খাগা রহমতিয়া ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

‎মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা মুক্ত দিবস ৭ ডিসেম্বর

ছবি সংগৃহীত

‎মোংলা প্রতিনিধিঃ

‎

‎৭ ডিসেম্বর মোংলা ও সুন্দরবন মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদার বাহিনীকে হটিয়ে এ এলাকা শত্রুমুক্ত করেন।

‎

‎মোংলা উপজেলার সোনাইলতলা ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম শেখ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিল, সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমেদ ও কবির আহমেদ মধুর নেতৃত্বে ৭ ডিসেম্বর মোংলা বন্দর ও সুন্দরবন এলাকা সম্পূর্ণভাবে শত্রুমুক্ত হয়। তখন সুন্দরবনে স্থাপিত পাঁচটি ক্যাম্পে সেনা কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধায়নে দামাল ছেলেদের দেওয়া হতো প্রশিক্ষণ।

‎

‎প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা সেখান থেকে সুবিধা মতো আক্রমণ চালাতেন মোংলা, মোড়লগঞ্জ, রামপাল, শরণখোলা ও পিরোজপুরসহ বিভিন্ন এলাকার পাক বাহিনীর ক্যাম্পগুলোতে। এছাড়া ওই সময়ে মোংলা বন্দরের পশুর নদীতে থাকা পাক হানাদার বাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ এম.ভি মাকরনও ধ্বংস করা হয়।

‎

‎আবুল হাসেম শেখ আরও বলেন ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাক হানাদাররা নৃশংস গণহত্যা চালায় এ এলাকার নিরীহ মানুষের উপর। এখনো সেই গণহত্যার স্মৃতি বহন করছে মোংলার দামেরখন্ড ও রামপালের ডাকরার বধ্যভূমি।

‎

‎আমরা যারা ৯ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিলাম তাদের নেতৃত্বে ছিলেন সুন্দরবন অঞ্চলের সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমেদ। মেজর জিয়া, মুক্তিবাহিনী ও নৌ কমান্ডের ত্রিমাত্রিক আক্রমণে পিছু হটতে বাধ্য হয় পাক সেনারা। পশুর নদীতে পাক বাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ মাকরনে মাইন বসিয়ে তা ডুবিয়ে দেয় মুক্তি নৌ কমান্ডের সদস্যরা। এরমধ্য দিয়েই ৭ ডিসেম্বর পুরোপুরি হানাদার মুক্ত হয় মোংলা ও সুন্দরবন।

‎

‎স্বাধীনতার অনেক পরে মোংলা পোর্ট পৌরসভার পক্ষ থেকে পৌর পার্ক এলাকায় নির্মিত হয়েছে একটি যুদ্ধ জাহাজ সংবলিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ও আরেকটি বিজয় স্তম্ভ।

‎

‎উপজেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ১৯৭১ সালের দীর্ঘ ৯ মাসের স্বাধীনতার যুদ্ধে মোংলা পোর্ট পৌরসভা ও ছয়টি ইউনিয়নের মোট ২৩৯ জন মুক্তিযোদ্ধা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

আরও খবর