নাগেশ্বরীতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কাউন্সিলিং অনুষ্ঠিত ঝুপড়ি ঘরে এসি-সিসি ক্যামেরার রাজকীয় মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন মামী বিয়ে করলেন ভাগনেকে, প্রবাস থেকে মামা দেশে ফিরে আত্মহত্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক অভিযান, তত্ত্বাবধায়ক ক্লোজড জাল-নৌকা নিয়ে ঘাটে জেলেদের ভিড়, চলছে প্রকৃত জেলে শনাক্তের কার্যক্রম খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ছাত্রদলের প্রেস বিজ্ঞপ্তি আক্কেলপুরে গলায় দড়ি দিয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যা শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্বাগত মিছিল লালপুরে আবারও গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার লালপুরে ১৬ বছরের কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে গ্রেফতার ৬০ বছর বয়সী ব্যক্তি। লালপুরে পদ্মার চরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩ দেওয়ানগঞ্জের সানারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে ধার করা টাকার বিরোধে যুবককে হত্যা, ৩ আসামি গ্রেফতার বাঘা উপজেলা প্রশাসনের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দেশের আরও ১০ জেলায় রেল সংযোগ চালু করা হবে : রেলমন্ত্রী শ্যামনগরে শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রধান শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভা একনেকে ৫ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ৭০০৩ কোটি টাকা ক্ষেতলাল সরকারি মডেল স্কুল ও কলেজে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা মিরসরাইয়ের বামনসুন্দর ফকির আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত সমাজসেবক শরফু উদ্দীন মিরসরাইয়ে শাহ সূফী মুফতী মাওলানা ছেরাজুল ইসলাম (র.)-এর পাঠদানের পদ্ধতি শীর্ষক আলোচনা সভা

"আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী পাবিপ্রবি'র ১৯টি বিভাগে শিক্ষক সংকট"

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১টি বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অনেক বিভাগে  শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষক নেই । 


বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর গড় অনুপাতের নূন্যতম মানদন্ড ধরা হয় ১:২০। অর্থ্যাৎ প্রতি ২০ শিক্ষার্থীর জন্য একজন করে শিক্ষক থাকতে হবে। তবে এবার এ মানদন্ড বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ টি বিভাগ। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ প্রকাশিত ৪৮তম বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।


প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাবিপ্রবির মোট ২১ টি বিভাগে পরিচালিত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। এর মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাতে সবচেয়ে পিছিয়ে লোকপ্রশাসন এবং সমাজকর্ম বিভাগ। বিভাগ দুটিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর গড় অনুপাত যথাক্রমে ১:৬৪ এবং ১:৫৪। অর্থ্যাৎ প্রতি ৬৪ এবং ৫৪ জন শিক্ষার্থীর জন্য বিভাগদুটিতে হয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষক। যা বিশ্বব্যাপী প্রচলিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর গড় অনুপাতের মানদন্ডের ধারের কাছেও নেই। এরপরের অবস্থান রয়েছে ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ।


এছাড়া যেসব বিভাগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে আন্তর্জাতিক মান নেই সেগুলো হলো - কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইলেকট্রনিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা, গণিত, ফার্মেসি, রসায়ন, পরিসংখ্যান, ব্যবসায় প্রশাসন, অর্থনীতি, বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস ও বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগ।


তবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ। উভয় বিভাগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত যাথক্রমে ১:১৪ এবং ১:২০।


ইউজিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৪৮৭ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে রয়েছেন মোট ১৭৭ জন শিক্ষক।   অর্থ্যাৎ প্রতি ৩১ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক আছেন একজন করে। এর মধ্যে আবার ৩৫ জন শিক্ষক আছেন শিক্ষাছুটিতে।


এ বিষয়ে ছাত্র উপদেষ্টা দপ্তরের পরিচালক ড. মোঃ নাজমুল হোসেন বলেন - " পাবিপ্রবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এই সমস্যা ব্যতীত আরো অনেক সমস্যা রয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন অর্থ্যাৎ আমাদের অভিভাবক উপাচার্য এবং উপ-উপাচার্য এসব বিষয় নিয়ে সমস্যা সমাধানে খুবই সচেষ্ট। উনাদের নেতৃত্বে বর্তমানে একটি কারিকুলাম তৈরি হচ্ছে যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের অনুপাত কেমন হবে তাদের স্ট্যান্ডার্ড মান অনুযায়ী ক্রেডিট কেমন হবে এই বিষয়ে আলোকপাত চলছে যাতে করে শিক্ষার্থীদের এই সমস্যা গুলোকে সমাধান করা যায়। "


তবে শিক্ষক সংকটের এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে সাধারন শিক্ষার্থীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ ব্যাচের একাধিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানায় শিক্ষক সংকটের জন্য আমরা সেমিস্টার ঠিকসময় মতো শেষ করতে পারছি না। নতুন কারিকুলাম কার্যকর হয়েছে ২০২০-২০২১ সেশনের শিক্ষার্থীদের থেকে। অথচ তাদেরসহ পূর্বের ব্যাচগুলোর জন্য নির্দিষ্ট কোনো সিলেবাস বা কারিকুলাম আসছে না। যার ফলে বিভিন্ন অনিশ্চয়তা কাজ করছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

আরও খবর