মূল্যস্ফীতিতে সাধারণ মানুষ চাপে আছে: অর্থমন্ত্রী নোয়াখালীতে ইয়াবা সেবনের দায়ে দুইজনের কারাদণ্ড সুন্দরবনে কয়লাবাহী জাহাজের ধাক্কায় জেলের মৃত্যু রামপালে রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন নোয়াখালীতে আবারও কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪৫ ছেলেকে দেখতে গিয়ে গ্রেপ্তার বাবা, কারাগারে বাপ বেটা দুজনই দেবহাটায় অভিযানে বিপুল উইনকোরেক্সসহ নারী আটক লাখাইয়ে পুলিশ অভিযানে ১৫পিচ ইয়াবা সহ ৬ মামলার আসামী গ্রেপ্তার। শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বিরল প্রজাতির সোনালী হনুমানের মৃত্যু লাখাইয়ে সুতাংনদীর স্তূপীকৃত বালু নিয়ে নানা সমস্যা নিরসনে নেই দৃশ্যমান উদ্যোগ। শিক্ষা-গবেষণায় শিল্প সংযোগে জাবিপ্রবির নতুন উদ্যোগ, ৫টি এমওইউ স্বাক্ষর কুলিয়ারচরের ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও আসছে ‘ওপেন ক্রেডিট’ ও ‘সেপ্টেম্বর সেশন’: ইউজিসি সদস্য অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে আটক ১ উলিপুরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্বর্ধনা প্রদান সোনার পাড়া ব্লু-গার্ড দল কর্তৃক পরিবেশ রক্ষায় কার্যকরী উদ্যোগ। সাতক্ষীরায় ছুরিকাঘাতে ১৯ বছরের তরুণ নিহত বাগেরহাটের মোংলার ৩৫ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেলেন তা’মীরুল মিল্লাতের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান সায়েম! সুন্দরবন সংলগ্ন নীলডুমুর বাজার দূষণমুক্ত রাখতে ব্যবসায়ীদের মাঝে ডাস্টবিন বিতরণ

কুলিয়ারচরের ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নে ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ এর আওতায় এক বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।


শনিবার ৩ অক্টবর সকালে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন সালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কাইয়ুম। 


তিন মাসব্যাপী চলমান এই বিশেষ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ইউনিয়নজুড়ে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ডেঙ্গু পরিস্থিতির ঝুঁকি হ্রাস করা। অভিযানে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, সংরক্ষিত নারী সদস্য এবং গ্রাম পুলিশের একটি দল অংশগ্রহণ করে, যারা সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও ঝোপঝাড় পরিষ্কারের কাজ পরিচালনা করেন।


অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি এবং অপরিচ্ছন্ন ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে ডেঙ্গু আতঙ্কের বিষয়টি উঠে এসেছে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমের অভাবে ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রান্তে মশার বংশবিস্তার আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে, যার ফলে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যদিও ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তবুও সাধারণ মানুষের দাবি—কেবল তিন মাসের কর্মসূচি নয়, বরং বছরের প্রতিটি ঋতুতে যেন মশা নিধনের ওষুধ ছিটানো এবং ড্রেন পরিষ্কারের কাজ অব্যাহত থাকে।


এ বিষয়ে সালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কাইয়ুম জানান, জনস্বার্থ রক্ষায় ইউনিয়ন পরিষদ বদ্ধপরিকর এবং বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সরকারি দিকনির্দেশনা অনুযায়ী এই তিন মাস নিরবচ্ছিন্নভাবে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে এবং ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিটি ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা তদারকি করবেন। তবে কেবল প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে জনসাধারণের নিজ নিজ বাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।


প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যদি কোনো বিশেষ এলাকায় মশার উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বেশি দেখা দেয়, তবে সেখানে তাৎক্ষণিক ভিত্তিতে অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতা দল পাঠিয়ে মশা নিধনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এই কার্যক্রমকে সফল করার লক্ষ্যে নিয়মিত মনিটরিং সেলও কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে।


আরও খবর