জাপানের সঙ্গে কর্মসংস্থান চুক্তি, কর্মী নিয়োগ শুরু ১ এপ্রিল থেকে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন দুপুর ২টায় প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেব: ইশরাক মহানবমী: দেবীবন্দনা থেকে বৈষম্যহীন সমাজের প্রত্যয় পীরগাছায় রিকশা, ভ্যান ও অটোরিকশা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের উদ্যোগে শ্রমিকদের মাঝে চিকিৎসা সহায়তার চেক বিতরণ সাংবাদিক বাঁচলে সংবাদ বাঁচবে, সংবাদ বাঁচলে গণতন্ত্র বাঁচবেসাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক, স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ সুগম হোক বড়লেখায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এমপি মিঠু পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, দুপুরে সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশে ৩৯০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে কানাডা সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করার ১১ সুবিধা জনগণের সেবা ও ভালোবাসাকে সঙ্গী করে আবারও নির্বাচনে লড়তে চান ইমদাদুল হক ভূঁইয়া নাঙ্গলকোটে বাড়ি মেরামতে বাধা, রডের আঘাতে গুরুতর আহত মাসুম বেগমগঞ্জে মুখোশ পরে দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি জামালপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সিআইডি টিমের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শ্যামনগরে দুর্গা পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ড.মনিরুজ্জামান লাখাইয়ে পুজা মণ্ডপ পরিদর্শনে লাখাই প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। সাংবাদিকদের উদ্দেশে এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু বললেন, 'আমি যদি দুর্নীতি করি, সেটাও লিখবেন' তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় আলিম প্রথম বর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে পিএফজি ও ওয়াইপিএজি'র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঢাকায় পেশাদার বারিস্তা গড়ে তুলছে DSCA, দেশের প্রথম ISO-সার্টিফায়েড কফি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী

বাসস ডেস্ক - রিপোর্টার

প্রকাশের সময়: 18-08-2026 02:00:25 pm

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা, বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা।


ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআরের সকল কার্যক্রমের সাফল্যের উপরেই সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের সফলতা বহুলাংশে নির্ভরশীল।


আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত রাজস্ব সম্মেলন ২০২৬ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান এ কথা বলেন।


সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই সম্মেলনের আয়োজন করে।


এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ বর্তমানে এনবিআরকে একটি নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রত্যাশা করে। বিশেষ করে করদাতাগণ এনবিআরকে তাদের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায়।


দক্ষ এবং টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জন আস্থা অর্জন সম্ভব জানিয়ে রাজস্ব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেটি আপনাদের বক্তব্য থেকে উঠে এসেছে। করদাতাদের সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব আপনাদের অবশ্যই নিতে হবে। বর্তমান সরকার এনবিআর তথা রাজস্ব কাঠামোকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।


তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অভিশাপ থেকে রাষ্ট্রের অন্য সব প্রতিষ্ঠানের মতো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও মুক্ত থাকতে পারেনি। নীতি নিয়ম উপেক্ষা করে ব্যক্তি কিংবা দলীয় স্বার্থে কাউকে পৃষ্ঠপোষকতা, কারও প্রতি বিরূপ মনোভাব ও রাজস্ব আহরণে স্বেচ্ছাচারিতা করে এনবিআরকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছিল। এনবিআরের ওপর মানুষের আস্থা বিনষ্টের অন্যতম কারণ ছিল এই বিষয়গুলো। কিন্তু ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে এখন আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। একের পর এক অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ধরণ পরিবর্তিত হচ্ছে। ব্যবসায় নতুন নতুন মডেল তৈরি হচ্ছে। নানা রকম চ্যালেঞ্জও তৈরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক কর বা রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় এসেছে পরিবর্তন। পরিবর্তিত বিশ্বের অর্থনৈতিক সমস্যা, সম্ভাবনা, সুবিধা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রাজস্ব কর্মকর্তাদের বহুমাত্রিক দক্ষতা অর্জন এখন সময়ের দাবি।


তিনি বলেন, ডিজিটাল ইকোনমি, ই-কমার্স, ট্রান্সফার প্রাইসিং, ইন্টারন্যাশনাল ট্যাক্সেশন, ট্রেড ফাইনান্সিয়াল ক্রাইম, মানি লন্ডারিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এই সবগুলো বিষয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট জ্ঞান থাকাটা এখন অত্যন্ত প্রয়োজন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ট্যাক্স জিডিপি রেশিও এখনো সক্ষমতার তুলনায় অনেক কম। অর্থনীতির একটি বড় অংশ এখনো আনুষ্ঠানিক। নিয়মিত করদাতার ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। করদাতা ও রাজস্ব প্রশাসনের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করা প্রয়োজন।


তিনি বলেন, সারা বিশ্বে একটি প্রযোজ্য বিষয় হলো আধুনিক কর প্রশাসনের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র বেশি কর আদায় নয়। বরং বেশি সংখ্যক মানুষকে স্বেচ্ছায় কর প্রদানে উৎসাহিত করা। একজন করদাতা যিনি নিম্ন কর আদায় করছেন রাষ্ট্র যেমন তাকে সম্মানিত করবে, একইভাবে যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে কর পরিহার করছেন তাকেও কর প্রদানের জন্য যথাযথভাবে আগ্রহী করে তোলা প্রয়োজন।


কর ব্যবস্থাপনা কিংবা কর আদায় পদ্ধতি সহজ এবং দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত হওয়া প্রয়োজন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাতে মানুষ স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে কর দেয়, কর দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। একই করদাতাদের ওপর বারবার করের বোঝা বাড়িয়ে রাজস্ব বৃদ্ধির নীতি খুব টেকসই পদ্ধতি নয়। বরং কর প্রদানে সক্ষম ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের যথাযথ নিয়মে করের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা বা কার্যক্রম উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এজন্য ডিজিটালি আধুনিক ডাটাভিত্তিক কর প্রশাসন গড়ে তোলার কোন বিকল্প নেই।

আরও খবর