আশাশুনি উপজেলার দু'টি নদী খনন করা হলেও নদীতে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থার অভাবে খাল-বিল, বেড় বাড়ি, বীজতলা ও কিছু মৎস্য ঘের জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ঘরবাড়ি থেকে হাটু পানি ঠেলে বের হতে অনেক পরিবার নাকানি চুপানি খাচ্ছে।
নদী বেষ্টিত উপজেলার মরিচ্চাপ ও বেতনা নদী পুরোপুরি না হলেও খনন কাজ করা হয়েছে। নদী দুটিতে এখন জোয়ারভাটা খেলছে। নদী ভাঙ্গন ও নদী খননে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা থাকলেও গত সপ্তাহাধিক কালের একটানা বৃষ্টি পাতে পুরো উপজেলায় এখন জলাবদ্ধতা ও জলমগ্নতা চরম বিপদ ডেকে এনেছে। ১১ ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামে কমবেশী জলাবদ্ধতা ও জলমগ্নতার সৃষ্টি হয়েছে। অপরিকল্পিত ও যথেচ্ছ বাঁধ, ঘরবাড়ি, দোকান পাট, অবকাঠামো গড়ে ওঠায় বৃষ্টির পানি নামার পথ বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে খাল-বিল, বসত বাড়ি, মাঠ-ঘাট, বেড়, ক্ষেত ক্ষামার, স্কুল-কলেজ সমূহের বড় একটি অংশ এখন পানিতে টইটম্বুর করছে। জলমগ্ন হয়ে বাড়িঘর, প্রতিষ্ঠানে যাতয়াত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। অপেক্ষাকৃত নীচু এলাকার ঘরবাড়িতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। চলতি আমন মৌসুমের বীজতলা তৈরি করতে কৃষকরা হিমশিম খাচ্ছে। অনেকের বীজতলা তলিয়ে গেছে। সবমিলে আশাশুনি উপজেলাবাসী নদী খননের উপকার থেকে অনেকাংশে বঞ্চিত হতে বসেছে। জনবসতি এলাকাসহ সকল এলাকার পয়ঃ নিস্কাশন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে।