শার্শায় চাঁদাবাজি ও মারপিটের ঘটনায় থানায় ৩ জনের নামে এজাহার দায়ের: আটক ১
শার্শায় চাঁদাবাজি ও মারপিটের ঘটনায় থানায় ৩ জনের নামে এজাহার দায়ের: আটক ১
যশোরের শার্শায় চাঁদাবাজি ও মারপিটের ঘটনায় এজাহার ভুক্ত ২নং আসামী মুকুল হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. শরিফুল ইসলাম মুকুলকে আটক করেন। আটক মুকুল হোসেন রুদ্রপুর গ্রামের আব্দুল ওহাব হোসেনের ছেলে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী শরিফুল ইসলাম ও বিবাদী (১) আতিকুর রহমান (২) মুকুল হোসেন (৩) আব্দুল রশিদ ৫/৬ বছর পূর্বে মাছের ব্যবসা করত। ব্যবসায়িক বিভিন্ন লেনদেন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আসামীদের সাথে শরিফুল ইসলাম বনিবনা না হওয়ার তাদের সাথে ব্যবসা বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে আসামীরা তার উপর শত্রুতা পোষণ করে আসছে। গত ইংরেজি ১৯/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৭ ঘটিকার সময় বাদী শরিফুল ভ্যানযোগে রাজমিস্ত্রীর কাজের উদ্দেশ্যে বাগআঁচড়ায় যাচ্ছিল। পথিমধ্যে থেকে শরিফুলকে ১ ও ২নং আসামী তাদের কাছে থাকা মোটরসাইকেল যোগে জোরপূর্বক রুদ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে তুলে আনে। সেখানে ৩নং আসামী আব্দুর রশিদ আগে থেকেই উপস্থিত ছিলো।
তারপর ৩ নং আসামী আব্দুর রশিদের হুকুমে ১ ও ২ নং আসামীদ্বয় বিদ্যালয়ের মাঠে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে বাদী শরিফুল ইসলামের হাত পা বেধে বিবাদী ৩ জনের যোগসাজশে দুই লক্ষ টাকা চাঁদার দাবী করে। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে বাদী শরিফুলকে বেধড়ক মারপিট করে জখম করে। এসময় শরিফুল ইসলামের ডাক-চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে বিবাদীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। পরে শরিফুলকে উদ্ধার করে তার স্বজনরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শরিফুলকে যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে স্বজনরা। এঘটনায় শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে শার্শা থানায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দায়ের করে।
শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, চাঁদাবাজি ও মারপিটের ঘটনায় এজাহার ভুক্ত ২নং আসামী মুকুলকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকী আসামীদেরকে আটকের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।