দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ঝড়ের আভাস চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মেসির ডাবলে বিশ্বকাপের নকআউটে আর্জেন্টিনা বৈষম্য দূর করে শিক্ষাকে আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী বাঘায় বিশাল গাঁজার তাজা গাছ সহ একজন আটক রায়পুরে ৫ কিলোমিটার সড়ক এখন মরণফাঁদ, দেখার কেউ নেই শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত পলাশে বিএসটিআই এ-র অভিযান - ২০ হাজার টাকা জরিমানা ৪ বোতল কোরেক্স উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ পলাশে ছোট তারগাঁও সর: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা আ.লীগের অপতৎপরতা রুখতেই সেনা মোতায়েন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এনআইডি সংশোধনের সহজ উপায়ের খোঁজে ইসি শান্তিগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় অনিয়ম প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সংবাদ সম্মেলন প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাস, চাকরিতে যোগ দিতে এসে আটক ২ বুডিরচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন মো: হ্যাপি ঈশ্বরগঞ্জ অগ্রণী ব্যাংকে আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সারিয়াকান্দিতে পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টা, গাছ কেটে প্রাচীর ভাঙচুর নোয়াখালীর ভুয়া র‍্যাব গ্রেপ্তার উলিপুরে ৪৯ জন শিক্ষার্থীকে ফুলের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

জেলা প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে



জেলা প্রশাসনের ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে ৪র্থ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১১ মার্চ জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় অভিভাবকদের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে সাতক্ষীরার সরকারি দুই বিদ্যালয়ে মোট ১৩ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভর্তির জন্য সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ জন এবং সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ জন শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ভর্তি কমিটিতে জেলা প্রশাসক সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা বিদ্যালয়গুলোতে পাঠানো হয়।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, এক মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়নি। এমনকি অভিভাবকদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগও করা হয়নি বলে জানা গেছে। কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, যোগাযোগ করলে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি স্কুলে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত কমিটিতে জেলা প্রশাসক সভাপতি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তারা সদস্য হিসেবে থাকেন। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

একজন অভিভাবক শাহিদুন নেছা জানান, তিনি জানুয়ারি মাসে তার মেয়েকে ৪র্থ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের যাচাই-বাছাই শেষে তার মেয়ের ভর্তি সুপারিশ করা হয়। ৮ এপ্রিল স্কুলে গেলে প্রধান শিক্ষক তাকে ভর্তি ফি ও কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন। তবে নির্ধারিত দিনে গেলে তাকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় রেখে শেষ পর্যন্ত ভর্তি না নিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এছাড়া কয়েকজন অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভর্তি কমিটির সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো যোগাযোগ না করায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে ভর্তি নীতিমালা লঙ্ঘন হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।

অন্যদিকে, নীতিমালার ১১.৮ ধারা অনুযায়ী কোনো কোটা আসন শূন্য রাখা যাবে না এবং কোটা পূরণ না হলে সাধারণ কোটা থেকে ভর্তি সম্পন্ন করার নির্দেশনা রয়েছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দীন অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কে বিষয়টি জানিয়েছেন এবং দুইটি আবেদনের কারণে কিছু জটিলতা ছিল। তিনি আরও বলেন, আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে, তবে ভর্তি কার্যক্রম এখনও সম্পন্ন হয়নি।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

Tag