দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ঝড়ের আভাস চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মেসির ডাবলে বিশ্বকাপের নকআউটে আর্জেন্টিনা বৈষম্য দূর করে শিক্ষাকে আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী বাঘায় বিশাল গাঁজার তাজা গাছ সহ একজন আটক রায়পুরে ৫ কিলোমিটার সড়ক এখন মরণফাঁদ, দেখার কেউ নেই শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত পলাশে বিএসটিআই এ-র অভিযান - ২০ হাজার টাকা জরিমানা ৪ বোতল কোরেক্স উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ পলাশে ছোট তারগাঁও সর: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা আ.লীগের অপতৎপরতা রুখতেই সেনা মোতায়েন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এনআইডি সংশোধনের সহজ উপায়ের খোঁজে ইসি শান্তিগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় অনিয়ম প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সংবাদ সম্মেলন প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাস, চাকরিতে যোগ দিতে এসে আটক ২ বুডিরচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন মো: হ্যাপি ঈশ্বরগঞ্জ অগ্রণী ব্যাংকে আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সারিয়াকান্দিতে পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টা, গাছ কেটে প্রাচীর ভাঙচুর নোয়াখালীর ভুয়া র‍্যাব গ্রেপ্তার উলিপুরে ৪৯ জন শিক্ষার্থীকে ফুলের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

উন্নয়নের আড়ালে গাছ নিধনের অভিযোগ



শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ৯নং বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের পূর্ব দুর্গাবাটি হুলায় চর এলাকায় উন্নয়নের আড়ালে ভয়াবহ পরিবেশ ধ্বংসের অভিযোগ উঠেছে। জাইকা (JICA) প্রকল্পের নাম ব্যবহার করে ভেকু (এক্সাভেটর) দিয়ে নির্বিচারে হাজার হাজার ছোট-বড় গাছ উপড়ে ফেলার ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সুরক্ষার কথা বলে ৬নং ওয়ার্ডের পূর্ব দুর্গাবাটি এলাকায় কয়েকদিন ধরে গাছ নিধনের কাজ চালানো হচ্ছে। জুবায়ের হোসেন নামের এক ভেকু চালকের মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় কেওড়া গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় গাছ উপড়ে ফেলে মাটির নিচে চাপা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি গাছ নিধনের প্রমাণ মুছে ফেলতে অনেক স্থানে মাটি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে বলেও জানান স্থানীয়রা।

ঘটনাটি জানাজানি হলে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই ধ্বংসযজ্ঞের পেছনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এবং প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশ রয়েছে। তারা অর্থের বিনিময়ে পরিবেশের ক্ষতি করে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীরা আরও জানান, সুন্দরবন সংলগ্ন হওয়ায় এই অঞ্চলের গাছপালা প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা হিসেবে কাজ করে। নির্বিচারে গাছ নিধন অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় এই এলাকা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। তাই দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

তারা জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের দাবি—প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করেই উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

এদিকে, সরকারি সম্পদ ও পরিবেশ ধ্বংসের এই অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে অনুসন্ধানী টিম। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের বক্তব্য এবং ঘটনার প্রকৃত চিত্র শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

পরিবেশ বিধ্বংসী এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

Tag