দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ঝড়ের আভাস চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মেসির ডাবলে বিশ্বকাপের নকআউটে আর্জেন্টিনা বৈষম্য দূর করে শিক্ষাকে আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী বাঘায় বিশাল গাঁজার তাজা গাছ সহ একজন আটক রায়পুরে ৫ কিলোমিটার সড়ক এখন মরণফাঁদ, দেখার কেউ নেই শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত পলাশে বিএসটিআই এ-র অভিযান - ২০ হাজার টাকা জরিমানা ৪ বোতল কোরেক্স উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ পলাশে ছোট তারগাঁও সর: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা আ.লীগের অপতৎপরতা রুখতেই সেনা মোতায়েন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এনআইডি সংশোধনের সহজ উপায়ের খোঁজে ইসি শান্তিগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় অনিয়ম প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সংবাদ সম্মেলন প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাস, চাকরিতে যোগ দিতে এসে আটক ২ বুডিরচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন মো: হ্যাপি ঈশ্বরগঞ্জ অগ্রণী ব্যাংকে আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সারিয়াকান্দিতে পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টা, গাছ কেটে প্রাচীর ভাঙচুর নোয়াখালীর ভুয়া র‍্যাব গ্রেপ্তার উলিপুরে ৪৯ জন শিক্ষার্থীকে ফুলের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

প্রতিবছরই বাঁধ ভাঙনে বিপর্যস্ত আনুলিয়া, অকার্যকর সংস্কারে ক্ষোভ, পাউবোর দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি




সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের কাকবাসিয়া এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর পাউবো বেড়িবাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে হঠাৎ প্রচণ্ড স্রোতের মুখে বাঁধের প্রায় ১০০ হাত এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে পুরো অঞ্চলে বড় ধরনের প্লাবনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং হাজারো মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে কাকবাসিয়া খেয়াঘাট সংলগ্ন এ বাঁধে বালির বস্তা (জিও ব্যাগ) ফেলে সংস্কার কাজ করা হয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। সোমবার ভোরে নদীর তীব্র স্রোতে সবুর গাজীর বাড়ির পাশের অংশটি সম্পূর্ণ ধসে পড়ে। এরই মধ্যে বাঁধের উত্তর ও দক্ষিণের আরও দুইটি অংশে নতুন করে ফাটল ছড়িয়ে পড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।

স্থানীয়দের দাবি, ভাঙন এলাকাসহ উত্তরের প্রায় ৫০ ফুট ও দক্ষিণে আরও ১০০ ফুট এলাকা এখন মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এর আগেও গত বছর ঈদুল ফিতরের দিন একই স্থানে বাঁধ ভেঙে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়েছিল, পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ফসল, মাছের ঘের এবং ঘরবাড়ি। এবারও রাতের জোয়ারের আগে জরুরি সংস্কার না হলে পুরো ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

ঘটনার খবর পেয়ে আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল কুদ্দুছ, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুছ বলেন, বাঁধের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। প্রতি মুহূর্তে মাটি নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে ডাম্পিং শুরু না করলে লোকালয় রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

এদিকে, এলাকাবাসী দ্রুত জেলা প্রশাসক, পাউবো এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, বারবার সংস্কার হলেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় প্রতি বর্ষায় মানুষের জীবন-জীবিকা ঝুঁকিতে পড়ে থাকে। এবার বর্ষা মৌসুমের আগেই কার্যকর ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ জরুরি।

Tag