পানি ও লিঙ্গ প্রতিপাদ্য এবং “যেখানে পানি বয়, সেখানে সমতা বৃদ্ধি পায়” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ২২ মার্চ সারা বিশ্বে বিশ্ব পানি দিবস পালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বিশ্ব পানি দিবস-২০২৬ উদযাপন করেছে। ২৫ মার্চ বুধবার সকাল ১০টায় এসআইএল এরিয়া অফিস কার্যালয়ে দিবসটি উপলক্ষে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এসআইএল শেরপুর এরিয়া ম্যানেজার সুজল সাংমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী দপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ইলিয়াছ শাহ্ সারোয়ার। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, পানি ছাড়া কোনো প্রাণীর বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। বিশ্বব্যাপী পানি সংকট সকল মানুষকে প্রভাবিত করলেও তা সমানভাবে নয়। যেখানে নিরাপদ পানীয় জল ও স্যানিটেশনের মতো মৌলিক মানবাধিকারের অভাব রয়েছে, সেখানে বৈষম্য আরও বৃদ্ধি পায়, যার প্রধান শিকার হন নারী ও কন্যাশিশুরা। তারা পানি সংগ্রহ, ব্যবস্থাপনা এবং পানিবাহিত রোগে আক্রান্তদের সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও এর ফলে তারা সময়, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও নানা সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৬% নারী ও মেয়ে (১.১ বিলিয়ন) নিরাপদ ও সুপরিচালিত পানীয় জলের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ৫৩টি দেশে নারী ও মেয়েরা প্রতিদিন পানি সংগ্রহের জন্য প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ঘণ্টা ব্যয় করেন, যা পুরুষ ও ছেলেদের তুলনায় তিনগুণ বেশি। এছাড়া বিশ্বের ২০০ কোটিরও বেশি মানুষ এখনও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পানি একটি সীমিত সম্পদ। আমরা যে প্রতিটি ফোঁটা পানি অপচয় করি, তা অন্য কারো প্রয়োজনীয় পানি থেকে তাকে বঞ্চিত করে। তাই পানি সংরক্ষণে আমাদের সচেতন হতে হবে, প্রয়োজন না হলে কল বন্ধ রাখা, দ্রুত লিকেজ মেরামত করা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা এবং শুধুমাত্র প্রয়োজন অনুযায়ী পানি ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়াও বক্তারা উল্লেখ করেন, পানি সংরক্ষণের পাশাপাশি পানিকে নিরাপদ রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অনিরাপদ পানি একটি নীরব ঘাতক, কলেরা, টাইফয়েড ও আমাশয়ের মতো পানিবাহিত রোগ প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়, বিশেষ করে শিশুদের।
১ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৮ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে