সাধারণত নির্বাচনী উত্তাপ পুরুষ কর্মীদের পদচারণায় মুখর থাকে, কিন্তু বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে যশোরের চৌগাছা দেখলো এক ভিন্ন চিত্র। সব বাধা আর হেনস্তাকে উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে এসেছিলেন হাজার হাজার নারী। নির্বাচনী প্রচারণায় নারীদের ওপর হামলা ও কটূক্তির প্রতিবাদে এদিন চৌগাছা কামিল মাদ্রাসা মাঠ পরিণত হয়েছিল এক বিশাল জনসমুদ্রে।সারাদেশে নির্বাচনী ময়দানে নারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠছে, ঠিক তখন চৌগাছার এই বিশাল মিছিলটি ছিল একটি নীরব কিন্তু শক্তিশালী জবাব। মিছিলে অংশগ্রহণকারী নারীরা কেবল স্লোগানই দেননি, বরং তাদের উপস্থিতির মাধ্যমে জানান দিয়েছেন যে, ভয় দেখিয়ে নারীদের ঘরে আটকে রাখার দিন শেষ।
সমাবেশে যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলেন:"নারীদের ওপর হামলা চালিয়ে কোনো আদর্শকে দমানো যায় না। যারা প্রচারণায় নারী কর্মীদের হেনস্তা করছে, তারা প্রকারান্তরে মানবাধিকারকেই বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে। আমরা এই প্রতিটি অপকর্মের বিচার চাই।" প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, চৌগাছার রাজনৈতিক ইতিহাসে নারীদের এত বড় এবং সুশৃঙ্খল জমায়েত আগে কখনো দেখা যায়নি। প্রতিবাদের পাশাপাশি ‘দাঁড়িপাল্লা’ মার্কার পক্ষে ভোট প্রার্থনার মাধ্যমে নারী ভোটারদের মধ্যে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তিমত্তার জানান দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। কর্মীদের দাবি, জামায়াতের প্রতি সাধারণ মানুষের যে ভালোবাসা আছে, এই জমায়েত তারই বহিঃপ্রকাশ এবং বিরোধীদের অপপ্রচারের মোক্ষম জবাব।
চৌগাছা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম মোরশেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ করে জয়নাল আবেদীন, মাওলানা আব্দুল আলিম এবং নারী নেত্রী নাসরিন ফরিদ ও শাহিনা খাতুনের বক্তব্য নারী কর্মীদের উজ্জীবিত করে।স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, এই বিশাল জমায়েত কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং নির্বাচনী দৌড়ে যশোর-২ আসনে নারী ভোটারদের সমীকরণে বড় ধরণের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
১ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে