আটকের ৬ ঘণ্টা পর মুচলেকা নিয়ে সাবেক ইউপি মেম্বারকে ছেড়ে দিল এসআই পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে ছাত্রশিবিরের বৃক্ষ রোপণ ও চারা বিতরণ ত্রিমুখী সংঘর্ষে আহত ৮ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গবেষণা কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শেরপুরের ধোবারচর জাগরণী কিশোরী সংলাপ কেন্দ্রের র‍্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষচারা বিতরণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শেরপুরের ডোবারচর জুঁই মহিলা সমবায় সমিতির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ গলাচিপায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী-শ্বশুরবাড়ির চারজনের বিরুদ্ধে মামলা ‘তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ’ লাখাইয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী। গলাচিপায় বজ্রাঘাতে কৃষকের মৃত্যু সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ রংপুরে এইচবিসি ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ঝিনাইগাতীর দুপুরিয়ায় র‍্যালি ও বৃক্ষচারা বিতরণ শেরপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষচারা বিতরণ বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নালিতাবাড়ীর রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে কারিতাসের আয়োজনে ঝিনাইগাতীতে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও নাটক প্রদর্শনী ঝিনাইগাতীতে কারিতাসের আয়োজনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন ‎বিষ, প্লাস্টিক ও শিল্পবর্জ্যের আগ্রাসনে অস্তিত্ব সংকটে সুন্দরবন: বিপন্ন জীববৈচিত্র্য শ্রীবরদীতে জুলুঙ্গা রজনীগন্ধা সংলাপ ফোরামে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন

লাখাইয়ে "নেপিয়ার পাকচং" ঘাস চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে,বাণিজ্যিকভাবে চাষে ঝুঁকছেন কৃষক।

লাখাইয়ে "নেপিয়ার পাকচং" ঘাস চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে,বাণিজ্যিকভাবে চাষে ঝুঁকছেন কৃষক লাখাইয়ে গবাদিপশুর প্রধান খাদ্য ঘাস। পুষ্টিকর ঘাসে দেহ গঠনকারী আমিষ উপাদানসহ প্রায় সর্বপ্রকার উপাদন মজুত থাকে। উন্নতজাতের অধিক ফলনশীল ঘাসের মধ্যে নেপিয়ার উল্লেখযোগ্য। খাদ্যমান বেশি থাকায় গবাদিপশুর জন্য এ ঘাস বেশ উপাদেয় ও পুষ্টিকর। ফলে গো-খাদ্য হিসেবে চাহিদা বেড়েছে নেপিয়ার ঘাসের। কিন্তু দিন দিন চাষের জমি কমে যাওয়ায় প্রাকৃতিকভাবে ঘাসের উৎপাদন অনেক কমে গেছে। এমন প্রেক্ষাপটে উন্নত জাতের ঘাস বাণিজ্যিকভাবে চাষের প্রতি ঝুঁকছেন কৃষকও খামারিরা। গবাদিপশুর খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে কৃষকরা বাজারে বিক্রয় করে আর্থিকভাবে লাভবানও হচ্ছেন তারা। খড়ের বিকল্প গরু-ছাগলসহ অন্যান্য গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে দেওয়া হচ্ছে নেপিয়ার ঘাস। অনেকে জমির আইল, পুকুর-জলাশয় বা বাড়ির পাশের পতিত জমিতে ঘাস চাষ করছেন। জানা যায়, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে প্রথম ভারত থেকে নেপিয়ার ঘাস নিয়ে আসা হয়। পরে সেটি স্থানীয়ভাবে চাষাবাদের উপযোগী করা হয়। এরপর ধীরে ধীরে এ ঘাসের চাষ ছড়াতে থাকে সারাদেশে। নেপিয়ার ঘাসের চারা একবার জমিতে লাগালে তিন বছরের মধ্যে নতুন করে লাগানোর প্রয়োজন হয় না। নেপিয়ার ঘাসে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’ যুক্ত পুষ্টিগুণ। গবাদিপশুর প্রিয় খাদ্য হিসেবে এ ঘাসের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। লাখাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষি ও পতিত জমিসহ বাড়ির আশপাশে নেপিয়ার ঘাসের চাষ লক্ষ করা যায়।লাখাই মহরমপুর গ্রামের কৃষক হাবিবুর জানান, অন্যান্য ফসলের তুলনায় নেপিয়ার ঘাসের উৎপাদন খরচ অনেক কম এবং জমিতে একবার ঘাস লাগালে ৪০ থেকে ৪৫ দিন পর পর ঘাস কাটা যায়। বৎসরে ৮ বার ঘাস কাটা পরে মাঝে মাঝে শুধু একটু নিরানী ও সার দিতে হয়। এতে করে এক বিঘা জমি থেকে বৎসরে প্রায় ১ লাখ টাকা ঘাস বিক্রি করা যায়। অনেক সময় খামারিরা জমি থেকে ঘাস নিয়ে যায়। কৃষক হাবিবুর রহমান আরও জানান, আমার ৩টি গরুর জন্য ১০ শতক জমিতে নেপিয়ার ঘাস চাষ করায় নিজের গরুর চাহিদা মিটিয়ে কিছু ঘাস বিক্রি করতে পারি। একই গ্রামের আব্দুর রশিদ জানান, আমার নিজের কোনো জমি নাই। অন্যের জমি বন্ধক নিয়ে নেপিয়ার ঘাস চাষ করে অনেক লাভবান হয়েছি। কৃষকরা অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে নেপিয়ার ঘাসের চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। স্থানীয় খামারিরা মনে করছেন, নেপিয়ার ঘাস চাষের ফলে গবাদিপশুর খাদ্য সংকট কমবে এবং এলাকার দুধ উৎপাদনও বাড়বে। এছাড়া এ মৌসুমে যখন অন্য ফসল কম হয়, তখন নেপিয়ার ঘাস কৃষকদের বাড়তি আয়ের সুযোগ করে দেয়। উপজেলার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, খামারিদের নিয়মিত ঘাসের কাটিং বিতরণ করা হচ্ছে। কৃষক ও খামারিদের মাঝে ঘাস উৎপাদনে উঠান বৈঠক করে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। গবাদিপশুর খাদ্যের ঘাটতি পূরণ এবং দুধের উৎপাদন বাড়াতে দিন দিন নেপিয়ার ঘাসের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় ঘাস চাষিদের উদ্বুদ্ধের পাশাপাশি বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে খামারিদের মাঝে পাকচং জাতের নেপিয়ার ঘাস চাষে উৎসাহিত করছি। পাশাপাশি আগ্রহী খামারি ও কৃষকদের ঘাস চাষে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। নেপিয়ার ঘাস পরিত্যক্ত জায়গায় ভালো জন্মে। চাষ পদ্ধতি ও গুণাগুণ সম্পর্কে কৃষক অবগত হলে ঘাসের চাষে তারা আরও উৎসাহিত হবেন বলে তিনি মনে করেন। লাখাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সাইফুল আযম বলেন, গবাদিপশুর খাদ্য চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত ঘাস বিক্রি করে আয় করা যায় কি ভাবে তার ফলশ্রুতিতে নেপিয়ার জার্মান, পাকচং-১, ভূট্টা, খেসারী, পাড়া, কাউপি, মাসকালাই, আলফা আলফা, জাম্বুসহ আরো অন্যান্য উন্নত জাতের ঘাস চাষে আগ্রহী ও ঘাস চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত খামারিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হচ্ছে।
Tag
আরও খবর


deshchitro-6a22eee34bcc2-050626094435.webp
ত্রিমুখী সংঘর্ষে আহত ৮

১৭ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে