সরদার ট্রাভেলস বাসের হেলপার বাপ্পী সরদার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে পুলিশের চার্জশিটে। তদন্ত শেষে পুলিশ নিহত বাপ্পীর সহকর্মী রানা সরদারকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। জানা গেছে, যশোর পতিতাপল্লীর এক নারীকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট প্রেমঘটিত বিরোধের জেরেই বাসের ভেতরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।নরেন্দ্রপুর পুলিশ ক্যাম্পের এসআই কবির হোসেন মোল্যা সম্প্রতি যশোর আদালতে অভিযুক্ত রানা সরদারকে (হুগলাডাঙ্গা, সদর) আসামি করে এই চার্জশিট দাখিল করেন।পুলিশের তদন্ত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রানা সরদার এবং নিহত বাপ্পী সরদার উভয়েই সরদার ট্রাভেলস বাসের হেলপার ছিলেন। রানার সঙ্গে যশোর পতিতাপল্লীর এক নারীর সম্পর্ক ছিল এবং তারা বিয়ের সিদ্ধান্তও নেন।
কিন্তু ঘটনার কয়েকদিন আগে বাপ্পী সরদার রানার ফোন নিয়ে সেই নারীর সঙ্গে কথা বলেন। এরপরই নাটকীয় মোড় নেয় সম্পর্কটি। ওই নারী রানার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়ে বাপ্পীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে সম্পর্ক স্থাপন করেন।নিজের প্রেমিকার এই 'হাতবদল' মেনে নিতে পারেনি রানা। ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি বাপ্পীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।গত ১৫ নভেম্বর রাতে যশোর খুলনা বাসস্ট্যান্ডের মনির উদ্দিন পাম্পের সামনে সরদার ট্রাভেলসের বাসে ঘুমিয়ে ছিলেন বাপ্পী সরদার। গভীর রাতে আসামি রানা সরদার বাসের জানালা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে ঘুমন্ত বাপ্পীকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে রানা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর সকালে পুলিশ বাসের ভেতরে বাপ্পীর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহত বাপ্পীর বাবা ইদ্রিস সরদার কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন।চার্জশিটে তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আটক আসামি রানা সরদারের দেওয়া স্বীকারোক্তি এবং সাক্ষীদের জবানবন্দিতে এই হত্যাকাণ্ডে তার সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে।
৫ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে