নওগাঁ বদলগাছীর আধায়পুরে রেবা বেগম এক নারীকে ছুরিকাঘাতে, গুরুতর আহত অবস্থায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি নাগেশ্বরীতে বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে ২ হাজার তালগাছ রোপনের উদ্যোগ উপজেলা প্রশাসনের শান্তিগঞ্জের পাথারিয়া ইউনিয়নে নতুন উচ্চ ফলনশীল আমন ধানের চাষাবাদে কৃষকদের মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বরিশাল সফর উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে প্রস্তুত সরকার: আইনমন্ত্রী বরিশালে থানা ভাঙচুর, পুলিশের উপর হামলা রংপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ সফল করতে পীরগাছায় জামায়াতের লিফলেট বিতরণ লাখাইয়ে"" দলিল যার, জমি তার"" ভূমি অপরাধ আইনে মালিককে ভুমি বুঝিয়ে দিলেন ইউএনও সৈয়দ মুরাদ ইসলাম। মেলান্দহ রিপোর্টার্স ইউনিটি'র যুগ পূর্তি উৎসব: দেওয়ানগঞ্জের প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুস সালাম শিকদার পেলেন বিশেষ সম্মাননা জাবিপ্রবির ব্যবস্থাপনা বিভাগের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান ‎সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের চাপে আত্মসমর্পণ বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ সদস্যের বজ্রপাতে নিহত ৪ গরুর মালিকদের আর্থিক সহায়তা দিল গলাচিপা উপজেলা প্রশাসন শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন ঝিনাইগাতীতে পাহাড়ি ঢলে মহারশি নদীর পানি বিপদসীমার দিকে, নদীর তীরবর্তী বাড়ি-ঘরে জলাবদ্ধতা নদীকে বাঁচাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়ে প্রথমবার সাগরে, আর ফেরা হলো না আক্কাসের নালিতাবাড়ীর এক পরিবারে তিন বিসিএস ক্যাডার: শেরপুরজুড়ে প্রশংসা, শিক্ষার্থীদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা লাখাইয়ে বুল্লা সিংহগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএমসি সভাপতি ফজলে রাব্বি। রংপুরে ওয়াইসিডিও'র জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত, তাৎক্ষণিক চাকরি পেলেন প্রায় ১০০ জন

একটি পুঁটি মাছের আত্মকাহিনী

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 08-03-2025 11:52:22 pm

আমি পুঁটি মাছ, ছোট্ট, লালচে-সোনালি রঙের, সরু শরীরের একটি সাধারণ নদীর মাছ। বড় মাছেদের রাজ্যে আমার তেমন কোনো গুরুত্ব নেই, কিন্তু আমি আমার জীবনকে খুব ভালোবাসি। আজ আমি আমার গল্পই বলবো—জলের মাঝে আমার আনন্দ, ভয়, সংগ্রাম আর বেঁচে থাকার লড়াইয়ের গল্প।


আমার জন্ম হয়েছিল এক ছোট্ট খালবিলে। মা-বাবার আদর পেলেও আমাদের মতো মাছেদের জীবন শুরু থেকেই কাঁটা-ভরা। ছোটবেলায় আমি স্রোতের টানে এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়াতাম, বন্ধুদের সঙ্গে খেলা করতাম, খাবারের খোঁজে জলজ গাছের ফাঁকফোকরে লুকোতাম। কিন্তু আমার সবচেয়ে বড় ভয় ছিল বড় মাছেরা। রুই, কাতলা, শোল—সবাই যেন আমার শত্রু!


একদিন, যখন সূর্যের আলো জল ছুঁয়ে ঝলমল করছিল, আমি বন্ধুদের সঙ্গে খাবার খুঁজছিলাম। হঠাৎ দেখি, এক চিকচিকে কিছুর উপর সূর্যের আলো পড়ে ঝলমল করছে। কৌতূহলী হয়ে এগিয়ে গেলাম, বুঝতে পারলাম না, এ এক ভয়ঙ্কর ফাঁদ! হঠাৎই বুঝতে পারলাম—এ এক জেলের বড়শি! ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে, আমার বন্ধুরা চিৎকার করল, "পালাও!" কিন্তু তখনই টান লাগল, আমি হাওয়ায় উঠে গেলাম, অনুভব করলাম, আমার শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে।


কিন্তু ভাগ্য সহায় ছিল। জেলে আমাকে খুব ছোট মনে করে পানিতেই ফেলে দিলো! সে মুহূর্তটা আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিলো। আমি বুঝতে পারলাম, জীবন বড়ই অনিশ্চিত, আর বেঁচে থাকার জন্য কেবল সতর্ক থাকাই যথেষ্ট নয়—বুদ্ধিও খাটাতে হয়।


এরপর থেকে আমি আরো সাবধানী হলাম, ধীরে ধীরে খালের গভীরে চলে গেলাম, যেখানে নিরাপদ আশ্রয় পাওয়া যায়। সময়ের সঙ্গে আমি বড় হয়েছি, অভিজ্ঞ হয়েছি, কিন্তু আজও আমি সেই ছোট্ট পুঁটি মাছ, যে ঢেউয়ের সঙ্গে খেলতে ভালোবাসে, যে জীবনকে ভালোবাসে, আর যে জানে—নদীর প্রতিটি ফোঁটা জলের মাঝেই লুকিয়ে আছে এক অনন্ত সম্ভাবনার গল্প।


••• 

লেখক: দিলীপ ভৌমিক

উন্নয়নকর্মী

আরও খবর