নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে তিন ইট ভাটাকে অর্থদন্ড আগামী প্রজন্ম সম্ভাবনা নাকি সংকটের অশনি সংকেত? কাজী এহসানুল হক জিহাদ আমার কলম কখনো বিক্রি করবো না : শ্রীমঙ্গলের ইউএনও জিয়াউর রহমান, গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময় ঝিনাইগাতীতে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীর দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে অন্তর্ভুক্তিকরণ ও আদিবাসীদের অধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে কারণে অতিষ্ঠ জনজীবন। শান্তিগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ, নগ্ন ভিডিও ধারণ করে চাঁদাবাজি: গ্রেপ্তার ১ আশাশুনিতে ইউনিয়ন পরিষদের জেন্ডার একশন প্ল্যান বিষয়ক কর্মশালা ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী দেশের ১৪ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়লেও সংলাপ ইস্যুতে এখনও সিদ্ধান্তহীন ইরান হামে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু চিলমারীতে "কৃষকদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেসের" কর্মশালা অনুষ্ঠিত শার্শায় চাঁদাবাজি ও মারপিটের ঘটনায় থানায় ৩ জনের নামে এজাহার দায়ের: আটক ১ আদমদীঘিতে প্রিপেইড মিটার সংযোগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ঝিনাইগাতীতে পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে জেন্ডার সমতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

পীরগাছায় বিক্রিত জমি পুনরায় লিখে নেওয়ার অভিযোগ

পীরগাছায় বিক্রিত জমি পুনরায় লিখে নেওয়ার অভিযোগ
রংপুরের পীরগাছায় বিক্রিত জমি গোপনে পুনরায় লিখে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে বুলবুলি বেগমের বিরুদ্ধে। প্রথম ক্রেতা মো. আলমগীর এবিষয়ে সাংবাদিকদের একটি লিখিত অভিযোগ দেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের সাতভিটা-ছাটকান্দি গ্রামে।
তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন-ওই গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের ৪৮শতক জমি তার আপন ছেলে বাবুল মিয়া ২০০৫ সালে ক্রয় করেন। বাবুল মিয়ার মৃত্যুর পর ২০২০ সালে তার ওয়ারিশ হিসেবে স্ত্রী সফুরা বেগম, মেয়ে লাভলী বেগম, ছেলে সোহেল রানা ও সাব্বির মিয়ার কাছ থেকে ৪৮শতকের মধ্যে ২৪শতক জমি আলমগীর ও সাড়ে আটশতক আলমগীরের ভাতিজা মো. বাবলু ক্রয় করেন। ক্রয়সূত্রে তারা ওই জমি এতোদিন ভোগদখল করে আসছিলেন। কিন্তু আব্দুস ছাত্তারের আপন মেয়ে বুলবুলি বেগম ও জামাতা আব্দুল মতিনের যোগসাজসে আলমগীরের ক্রয়কৃত ২৪শতক, বাবলুর সাড়ে আটশতক ও বাবুল মিয়ার সাড়ে ১৫শতকসহ মোট ৪৮শতক জমি গোপনে জোরপূর্বক জালিয়াতি করে ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর আব্দুস ছাত্তারের কাছ থেকে লিখে নেন। সেইদিনেই মৃত্যু হয় আব্দুস ছাত্তারের। তার মৃত্যু নিয়েও রহস্য রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি আব্দুস ছাত্তারের মৃত্যু ১৭ ডিসেম্বর হলেও তার মেয়ে বুলবুলি ও জামাতা আব্দুল মতিন ইটাকুমারী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ১৯ ডিসেম্বর দেখিয়ে মৃত্যু সনদ উত্তোলন করেন। এখানেও তারা জালিয়াতি করেন বলে জানান তারা। 
জমি লিখে নেওয়ার কিছুদিন পর মো. আলমগীরের ক্রয়কৃত জমিতে বুলবুলি বেগম ও আব্দুল মতিন দখল করে ধান রোপন করতে যান। আলমগীর তার ক্রয়কৃত জমিতে ধান রোপন করার কারণ জানতে চাইলে আব্দুস ছাত্তারের কাছ থেকে তারা পুনরায় জমি লিখে নিয়েছেন বলে জানান। 
ভূক্তভোগী মো. আলমগীর জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে তিন তিনবার শালিসি বৈঠক বসলেও বুলবুলি বেগম ও আব্দুল মতিন শালিসের সিদ্ধান্ত অমান্য করে চলে যান। উল্টো তাদের নামেই জমি দখলের মিথ্যা মামলা দিয়েছেন বলে তিনি জানান।
অভিযুক্ত আব্দুল মতিনের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি। এব্যাপারে জানতে উপজেলা সাবরেজিস্ট্রি কর্মকর্তা তিথী রাণীকে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোন না ধরায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। 
আরও খবর