আক্কেলপুর কলেজ বাজারে জামায়াতের গণসংযোগ সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব আশাশুনির ফকরাবাদে রাস্তার পাশে বৃহৎ গাছ শুকিয়ে বিপদজনক দ্বিতীয় স্ত্রীর স্বজনদের সঙ্গে এমপি গাজী নজরুলের আপস-মীমাংসা পীরগাছায় অবৈধ ভোজ্যতেল কারখানায় অভিযান; জব্দের পর ২০ ড্রাম পামওয়েল সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ৯৪ পিস ইয়াবাসহ কচাকাটায় চিহ্নিত মাদক কারবারি সুমন গ্রেফতার দিনাজপুর জেলা আইনশৃঙ্খলা ও সমন্বয় কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মা ইলিশ রক্ষায় কঠোর বার্তা, দৌলতদিয়ায় নৌ পুলিশের সচেতনতামূলক সভা একনেকে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫২ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন শ্যামনগরে স্কুল পর্যায়ে জলবায়ু শিক্ষা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ঝিনাইগাতীতে কারিতাসের আয়োজনে মাসব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ পত্নীতলায় মাদক, বাল্যবিবাহ ও নৈতিক অবক্ষয় প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ঝিনাইগাতী উপজেলা মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় চোরাচালান বন্ধে সীমান্তে টহল বাড়ানোর নির্দেশ এমপি রুবেলের আদমদীঘিতে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার : গ্রেফতার ১ আদমদীঘিতে দুই মাদক কারবারির জেল-জরিমানা সুন্দরবনে ২১ জেলে নিখোঁজ, পাঁচ দিনেও মেলেনি সন্ধান ধর্ষনের অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষক গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা: সমবেত নৃত্যে বাজিমাত শেখ বোরহানুদ্দীন কলেজের আগামী দুই মাসে আসছে ১৯ কার্গো এলএনজি: পেট্রোবাংলা প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ

পাখির সঙ্গে আক্তার-ফারিয়া দম্পতির মিতালি

পৃথিবীতে ভালোবাসার বহু নজির আছে। তবে তা হয়ে থাকে নিজ প্রজাতির মধ্যে। পাখির সঙ্গে মানুষের মিতালি এ এক বিরল ঘটনা। সন্তানের স্নেহে সান ও এলেক্স নামের দুটি পাখিকে লালনপালন করছেন ঝিনাইদহের এক দম্পতি।

এমন দৃশ্য দেখে যে কেউ আপ্লুত হয়ে পড়বেন।

ঝিনাইদহ সদরের জাড়গ্রামে আক্তারুজ্জামান-ফারিয়া দম্পতির বাড়ি। সোমবার (৮ জুলাই) সকাল ১০ টার দিকে ওই বাড়িতে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, রান্নার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন ফারিয়া খাতুন। মাথা ও কাঁধের ওপর বসে আছে এলেক্স ও সান নামের পাখি দুটি।

রান্নাঘর থেকে বের হওয়ার সময় পাখি দুটিও তার সঙ্গে চলে আসে। 

টিউবওয়েল থেকে পানি তোলা থেকে শুরু করে তরকারি কাটার সময়েও পাখি দুটি আপন মনে বসে আছে ফারিয়ার পাশে। কাজের ফাঁকে তাদেরকে আদর করছেন ফারিয়া। মাঝে মাঝে এক গাছ থেকে উড়ে যাচ্ছে আরেক গাছে।

আবার পাখি দুটিকে নাম ধরে ডাকা মাত্রই চলে আসছে ফারিয়ার কাছে।

মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বলেন, দেড় বছর আগে কুষ্টিয়ার ভেড়ামাড়া থেকে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে এক জোড়া সান-কুনুড় জাতের পাখি কিনে এনেছিলাম। তখন তাদের চোখ ফোটা-ফোটা ভাব। সেই থেকে পরম যত্নে ওদের লালনপালন করছি।

আক্তারুজ্জামানের স্ত্রী ফারিয়া খাতুন বলেন, সান ও এলেক্স আমার ভাষা বোঝে।

বিভিন্ন কথার আকার ইঙ্গিতও বোঝে। ওরাই আমার সন্তান। ওদের ছাড়া আমরা কোথাও থাকতে পারি না। ওদের ভালোবাসায় আমরা মুগ্ধ। দিন-রাতের অধিকাংশ সময় পাখি দুটি আমাদের সঙ্গেই থাকে। আমি ওদের সন্তানের মতো করে লালনপালন করছি।

নগরবাথান গ্রামের বাসিন্দা ইসমাইল বলেন, পাখি দুটি দেখতে মাঝে মাঝে আক্তারের বাড়িতে ঘুরতে যাই। পাখির সঙ্গে ওদের যে ভালবাসা এ যুগে সত্যিই এক বিস্ময়কর ঘটনা। হানাহানির এ সময়ে ওদের পাখির প্রতি ভালোবাসা দেখে আমি মুগ্ধ।

স্থানীয় কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল করমি বলেন, বর্তমানে মানুষে মানুষে বিভেদ বেড়েই চলেছে। সেখানে পাখির প্রতি তাদের ভালবাসা দেখে আমি মুগ্ধ। এ যুগের একটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে আক্তার-ফারিয়া দম্পতি।


Tag
আরও খবর