/ অর্থনীতি

বগুড়ার শেরপুরে মাচায় হলুদ তরমুজ চাষে সাড়া ফেলেছে কৃষি প্রেমি সালাম

জামিল আহমেদ - দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

আপডেট: 04-05-2021 10:07:47

আব্দুল ওয়াদুদ, বগুড়া


গরমের সময় শরীরে পানি শূন্যতা রোধ করতে এমনিতেই তরমুজের জুরি নেই, তার ওপর নুতন জাতের তরমুজ দেখে লোকজন হুমরি খেয়ে পরছেন। হলুদ তরমুজের ওপরে গায়ের রং হলুদ হলেও ভেতরে একদম অন্যসব তরমুজের মতো লাল এবং স্বাদও অনেক বেশি। 


রাস্তার পার্শ্বে আবাদ হওয়ায় প্রতিদিনই শত শত লোকজন দেখতে আসছেন এবং তরমুজ ক্রয় করার আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর বড়ইদহ গ্রামের পেশায় শিক্ষক হওয়ার পরও একজন কৃষি প্রেমি হাইস্কুল শিক্ষক আব্দুস সালাম রসালো ফল 'হলুদ জাতের' ও কালো জাতের তরমুজ চাষ করে এলাকায় কৃষকের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বর্তমানে গাছে ফল দেখে অধিক লাভ হবে এমনটায় আশা করছেন আব্দুস সালাম।


সরজমিনে দেখাগেছে, ৮৬শতক জমিতে উন্নত জাতের তিপ্তি, ব্লাক বেবি ও ব্লাক সুইট তরমুজ চাষ করে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে। তরমুজ গুলো পলি মাটিতে লাগানো চারা গাছ গুলো ফল আসার আগ মহুর্তে বাঁশের মাচায় উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে জমির মাচায় হলুদ ও গারো সবুজ তরমুজ ঝুলছে। হলুদ রং বেষ্টিত তিপ্ত জাতের তরমুজ, গাড়ো সবুজ ব্লাক বেবি ও ব্লাক সুইট এসব উন্নত জাতের তরমুজ গুলো সুন্দর ভাবে মাঁচার নিচে ঝুলছে।


চাষী আব্দুস সালাম জানান, বিভিন্ন ধারনের ফলের বাগান আছে যেমন, মালটা, পেয়ারা, ভিয়েতনাম নারিকেলসহ অন্যন্যা তবে নতুন জাতের এই তরমুজ চাষ তরতে তিনি আরো উৎসাহিত কারণ শেরপুরে তিনিই প্রথম মাচায় তরমুজ চাষ করে সফল। গত বছর করোনা কালীন সময়ে স্কুল বন্ধ থাকায় ইউটিউব দেখে মাচায় তরমুজ চাষ করে, পর্যাপ্ত পরিমান ফল আসলেও তরমুজ বাজার জাত করার মাঝামাঝি সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে লোকশান গুনতে হয়েছে।