দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ঝড়ের আভাস চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মেসির ডাবলে বিশ্বকাপের নকআউটে আর্জেন্টিনা বৈষম্য দূর করে শিক্ষাকে আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী বাঘায় বিশাল গাঁজার তাজা গাছ সহ একজন আটক রায়পুরে ৫ কিলোমিটার সড়ক এখন মরণফাঁদ, দেখার কেউ নেই শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত পলাশে বিএসটিআই এ-র অভিযান - ২০ হাজার টাকা জরিমানা ৪ বোতল কোরেক্স উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ পলাশে ছোট তারগাঁও সর: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা আ.লীগের অপতৎপরতা রুখতেই সেনা মোতায়েন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এনআইডি সংশোধনের সহজ উপায়ের খোঁজে ইসি শান্তিগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় অনিয়ম প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সংবাদ সম্মেলন প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাস, চাকরিতে যোগ দিতে এসে আটক ২ বুডিরচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন মো: হ্যাপি ঈশ্বরগঞ্জ অগ্রণী ব্যাংকে আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সারিয়াকান্দিতে পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টা, গাছ কেটে প্রাচীর ভাঙচুর নোয়াখালীর ভুয়া র‍্যাব গ্রেপ্তার উলিপুরে ৪৯ জন শিক্ষার্থীকে ফুলের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

প্রগতি ফাউন্ডেশন ঘোনা বাজার থেকে ৮০০ গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে

প্রগতি ফাউন্ডেশন ঘোনা বাজার থেকে ৮০০ গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে

 



মোঃ আজগার আলী, সদর উপজেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা:  

৮০০ গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই চক্রটি, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা ছনকা বাজারে প্রগতি সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটি, প্রগতি পল্লী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন, প্রগতি এস.আর.সি.সি. লি. এর নামে অমল মন্ডল ও তার স্ত্রী বাসন্তি রাণী মন্ডল গ্রাহকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে অধিক লাভের প্রলোভনে টাকা আদায় এবং গ্রাহকদের টাকা ফেরত না দিয়ে হয়রানী করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো তাদের প্ররোচণায় পড়ে সর্বস্ব হারিয়ে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। সম্প্রতি প্রগতি সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক প্রাণনাথ দাশ, তার স্ত্রী চেয়ারম্যান ইতি রানী বিশ্বাস ও সম্পাদক বিশ্বনাথ দাশের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের সঞ্চয়কৃত শত কোটি টাকা নিয়ে লোপাটের ঘটনায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। এদিকে, ঘোনা ইউনিয়নে প্রায় ৮শ’ গ্রাহকের কাছ থেকে আনুমানিক দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই চক্রটি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের মহিলারা বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন করে ডিম বিক্রির টাকাগুলোও প্রগতি সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটি ঘোনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের জমা দিয়েছেন। এছাড়া ভিক্ষুকরাও তাদের জমানো অর্থকড়িগুলো এই অফিসে জমা রেখেছে। নানান কৌশলে গ্রামের সাধারণ মানুষের জমি বিক্রি করেও ডিপিএস করিয়ে নিয়েছে এই চক্রটি। সম্প্রতি গ্রাহকরা তাদের সঞ্চয়কৃত অর্থ ফেরত পাচ্ছে না। কিন্তু ডিপিএস ও সঞ্চয়ের টাকা উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় গ্রাহকরা জানান, নাছিমা, দেবী রাণীসহ একাধিক মাঠকর্মীরা অধিক মুনাফার প্রলোভনে এখনও গ্রামে গ্রামে গিয়ে টাকা উত্তোলন করছে। স্থানীয়রা জানান, ম্যানেজার অমল তার চাচাতো ভাই গোবিন্দের কাছ ৪ লক্ষ টাকা, গোবিন্দের মেয়ের কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা দেয় এবং গোবিন্দের জামাইয়ের ১ লক্ষ টাকা নেয়। এখন টাকা চাইলে অমল তাদের কাছ থেকে আরো ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে বাড়ি লিখে দেবে বলে জানা গেছে।

ভিক্ষুক জামিলা খাতুন জানান, আমার অতি কষ্টের উপার্জিত ৪০ হাজার টাকা দ্বিগুন দেওয়ার প্রলোভনে রাধা রাণী নিয়ে দেয়। এক সপ্তাহ আগে আমি টাকা চাইলে ম্যানেজার অমল ও তার স্ত্রী বাসন্তি রাণী আমাকে হাকিয়ে বের করে দেয়। তাছলিমা খাতুন নামের এক গ্রাহক জানান, আমি রাধা রাণীর মাধ্যমে প্রগতি সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটিতে ১লক্ষ ৬০ হাজার জমা রাখি। বর্তমানে আমার ফুসফুস নষ্ট হওয়ায় চিকিৎসার ভারতে যেতে হবে। কিন্তু তাদের কাছে টাকা চাইলেও নানান টালবাহানা করছে। গত ২০ ডিসেম্বর দেওয়া কথা থাকলেও এখনও পর্যন্ত টাকা দেয়নি। এ বিষয়ে আমি প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


 

Tag