/ অর্থনীতি

কয়রায় ঝড়ো হাওয়ায় ইরি -বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি'

দেলোয়ার হোসাইন - সুপার এডমিন

আপডেট: 06-04-2021 08:28:12

উপজেলার দক্ষিন বেদকাশি মৌজার জোড়শিং, পাতাখালি ও আংটিহারা এলাকায় ঝড়ো হাওয়ায় ইরি বোরো ধান ক্ষেতের ফসল চিটা হয়ে গেছে। গত ৪ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রবল বেগে ঝড়ো বাতাস বইতে শুরু করে। এক পর্যায়ে উত্তপ্ত গরম বাতাসে বাইরে বের হতে পারছিল না এলাকার মানুষ। উত্তপ্ত ঝড়ো হাওয়ার কবলে দক্ষিন বেদকাশি মৌজার ১শ একর জমির বোরো ধানের ফুল ঝরে গিয়ে সাদা বর্ণ ধারণ করে চিটা হয়ে গেছে।


জোড়শিং-পাতাখালি গ্রামের কৃষক পরিমল, নিরঞ্জন, পতিত, সুশান্ত, শরত, মঈনুদ্দিন, এন্তাজ গাজী, পরিতোষ মন্ডল, বেশব, তৈয়ব গাজী, বিনন্দ মন্ডল, রঊফ সরদার, প্রভাষ মন্ডল, আকতার গাজী, ইউসুফ খাঁ, আফছার গাজী, আজিজ গাজী, লিয়াকত গাজী, শহিদুল গাজী, আফছার খাঁ, ইউনুছ গাজী, মাজেদ গাজী, কাশেম গাজী, মন্টু বর্মণ, কালাম গাজী, আশরাফ মোল্লা, আলামিন গাজী, আছাদুল, শফিকুল মঞ্জুর গাজী, সুশান্ত ও দিলীপ মন্ডল ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এ বছর বোরো ধানের  চাষাবাদ, সার ও কীটনাশকে বিঘা প্রতি ১৫ হাজার টাকার বেশি খরচ হয়েছে।


ধানে দুধ ভরার মুহুর্তে হঠাৎ গত পরশু গরম উত্তপ্ত ঝড়ো হাওয়ায় ধান সম্পূর্ণ চিটা হয়ে গেছে। এ মুহুর্তে ফসলের চরম ক্ষতি হওয়ায় আমাদের কাছে অনেকটা যেন বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো অবস্থা। কৃষকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো বলেন, ধান ক্ষেতের ক্ষতির বাস্তব অবস্থা এখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানকে অবহিত করা হয়েছে। দু’দিন পার হয়ে গেলো, অথচ কৃষি কর্মকর্তা আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত ধান ক্ষেত দেখতে আসেননি। কৃষকরা ফসল না পাওয়ার আশংকা ব্যক্ত করে সরকারের কাছে সহযোগিতার দাবী জানান।


এ ব্যাপারে দক্ষিন বেদকাশি ইউপি চেয়ারম্যান জিএম কবি শামছুর রহমান বলেন, ৪ এপ্রিল মধ্য রাতে এলাকার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া উত্তপ্ত ঝড়ের আঘাতে ভালো ধান চিটা হয়ে যাওয়ায় এলাকার শত শত কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। কৃষকদের প্রতি সহায়তার হাত বাড়াতে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।    


Comments (0)

Comments