ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আছে ২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ ইসলামপুরের নোয়ারপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত উলিপুরে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সার ধাক্কায় মুদি ব্যবসায়ীর মৃত্যু শ্যামনগর উপজেলা নাগরিক কমিটির ত্রৈমাসিক সভা সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে জিম্মিদশা থেকে ৬ জেলে উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ নভেম্বর মোংলা-বাগেরহাটে আসছেন আশাশুনি নওয়াপাড়ায় নদী খননের মাটি অবাধে বিক্রি ★হুমকিতে বাঁধ ও সরকারি সড়ক শেরপুরে পাঁচ দিনব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন, থাকছে ১০টি স্টল পীরগাছায় ইউএনওর সঙ্গে নৃ-গোষ্ঠী নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেরপুরে নারীদের অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক সভা জাগরণের আহ্বান- সজিব হোসেন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ চোখের ছানি অপারেশন ও ১ কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুবিপ্রবির দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও তৃতীয় ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন পটুয়াখালীর বড়বাইশদিয়া আব্দুল হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোঃ জুলহাস মিয়া বছরে ৩৬ লাখ টাকা বেতন-ভাতা, ১৪ শিক্ষকেও পাস করাতে পারেনি ৬ শিক্ষার্থীকে! মানুষের জন্য মানুষ ঝিনাইগাতীতে এসআইএল-এর আয়োজনে শাকসবজি চাষের বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন ও বিভিন্ন প্রকার শাকসবজির বীজ বিতরণ বাগরা মদিনাতুল উলূম ইসলামিয়া মাদ্রাসার ১৮তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত অনুসন্ধানী সাংবাদিক এহসানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের জরুরি সভা, বিবৃতি ও কর্মসূচির ডাক

টেলিফোনে বিবাহ

Md Nazmul Hasan ( Contributor )

প্রকাশের সময়: 29-10-2023 02:27:15 pm

টেলিফোনে বিবাহ ( Marriage over telephone)

আধুনিক যুগে অনেকে বিবাহ টেলিফোনে সম্পন্ন করে থাকেন। অনেক সময় দেখা যায় চাকুরী বা ব্যবসায়ের কারণে বর বিদেশে অবস্থান করছেন এবং কনে দেশে বসবাস করছেন। বর ও কনের অভিভাবকরা সাধারণত এই ধরনের বিবাহের আয়োজন করে থাকেন। বিবাহের আগে বর বা কনের একে অপরের সাথে দেখা-সাক্ষাতও হয়... না। হয়ত টেলিফোনের মাধ্যমে একে অপরের সাথে কথা বলে থাকেন। মুসলিম আইনে এই বিবাহ সঠিক কিনা এ নিয়ে অনেকে বিভিন্ন রকম কথা বলে থাকেন। এই ধরনের বিবাহের আইনগত বৈধতা নিয়েও অনেকে প্রশ্ন করেন ।


সাধারণ কথায় মুসলিম আইনে বিবাহ হচ্ছে একটি দেওয়ানী চুক্তি। কোনরূপ অনুষ্ঠান পালন ছাড়াই একটি বিবাহ অনুষ্ঠিত হতে পারে। বিবাহ করতে বিশেষ কোন আচার অনুষ্ঠান পালন বাধ্যতামূলক নয়। তবে একটি মুসলিম বিবাহে কিছু শর্ত পালন করতে হয়। এগুলো হচ্ছে-


ক) বিবাহের এক পক্ষ কর্তৃক বিবাহের ইজাব বা প্রস্তাব করতে হবে এবং অপর পক্ষ কর্তৃক তা কবুল বা গ্রহণ করতে হবে।


খ) হানাফী মাযহাব অনুসারে প্রাপ্তবয়স্ক এবং সুস্থ মস্তিস্কসম্পন্ন কমপক্ষে দু'জন সাক্ষী থাকতে হবে। সাক্ষীদ্বয়ের দু'জনই পুরুষ অথবা একজন পুরুষ ও দু'জন মহিলা হতে হবে । তবে শিয়া মাযহাব অনুসারে সাক্ষীর প্রয়োজন নেই।


গ) বিবাহের সময় উচ্চারিত শব্দাবলী অবশ্যই স্পষ্ট এবং দ্বর্থহীন হতে হবে।


ঘ) বিবাহের পক্ষদ্বয়কে অবশ্যই সুস্থ মস্তিস্কসম্পন্ন ও প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে। কনের বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর এবং বরের বয়স ২১ বছর হতে হবে।


ঙ) প্রস্তাব এবং উহার গ্রহণ একই বৈঠকে উচ্চারিত হতে হবে।


টেলিফোনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত বিবাহে যদি উপরোক্ত শর্তসমূহ পালন করা হয় তবে উক্ত বিবাহ বৈধ বলে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ টেলিফোন বিবাহে বর অথবা কনে একপক্ষ বিবাহের প্রস্তাব বা ইজাব করবে এবং অপর পক্ষ তা গ্রহণ বা কবুল বলবে, পক্ষদ্বয় হানাফী মাযহাবের হলে বিবাহে সাক্ষী উপস্থিত থাকবে, শিয়া মাযহাবের হলে সাক্ষীর প্রয়োজন নেই, বিবাহের সময় উচ্চারিত শব্দাবলী অবশ্যই স্পষ্ট এবং দ্বর্থহীন হবে, পক্ষদ্বয় প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিস্কসম্পন্ন হবে এবং প্রস্তাব ও গ্রহণ একই বৈঠকে (টেলিফোনের এক প্রান্ত থেকে সাক্ষীদ্বয়ের উপস্থিতিতে প্রাপ্তবয়স্ক বর বা কনে একজন বিয়ের প্রস্তাব করবে এবং অপরজন তা কবুল বলবে) উচ্চারিত হবে।


তবে টেলিফোনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত বিবাহে যদি রেজিষ্ট্রেশন করা না হয় তাহলে স্ত্রী বেশ কিছু সুবিধা লাভ থেকে বঞ্চিত হয়। ধরা যাক, টেলিফোনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত একটি বিবাহ রেজিষ্ট্রি করা হয়নি। বিবাহের পরবর্তী স্বামীর সাথে স্ত্রীর দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায় স্ত্রী তার অধিকার আদায়ে আদালতে গেলে তেমন কোন সুবিধা পাবেন না। কারণ বিবাহ রেজিষ্ট্রি না করায় স্ত্রীর কাছে বিবাহের কোন কাবিননামা বা ডকুমেন্ট থাকে না। কাবিননামা না থাকায় স্বামী বিবাহটি অস্বীকার করতে পারে। ফলে স্ত্রী তার আইনগত অধিকার লাভ থেকে বঞ্চিত হবেন। তাই টেলিফোনে অনুষ্ঠিত প্রতিটি বিবাহ রেজিষ্ট্রি হওয়া জরুরী। অন্যথায় আদালতে এই ধরনের বিবাহ প্রমাণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে এ ধরনের বিবাহের আইনগত কোন বৈধতা থাকে না।

আরও খবর