সব ধর্মের মানুষদের নিরাপদ আবাসস্থল বাংলাদেশ: তথ্য প্রতিমন্ত্রী কবে কমবে লোডশেডিং, যা জানা গেল এলডিসি উত্তরনে সময় চাইল বাংলাদেশ যশোরে শিবিরের বাছাইকৃত কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত আমরা ব্যর্থ হলে গভীর অন্ধকারে তলিয়ে যাবে বাংলাদেশ: আইনমন্ত্রী এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক, রনি ও কাফি সেন্ট মার্টিন নিয়ে আগের সিদ্ধান্তেই অটুট সরকার যশোর থেকে বিচার বিভাগ সংস্কারের হুঁশিয়ারি: ‘বিগত সরকারের প্রভাবে স্বকীয়তা হারিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট’ পীরগাছায় জামায়াতের আরও দুটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা সাতক্ষীরায় বিজিবির অভিযানে স্বর্ণের বারসহ ১ মহিলা আটক আদমদীঘিতে পুকুর খনন করে মাটি বহন করায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে তেলের দাম নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যাপক পরিবর্তন সিটিজেন চার্টারে পূর্ণাঙ্গ সেবার নিশ্চয়তা ২৫ কুড়িগ্রাম-১ সংসদ সদস্যর তত্বাবধানে যশোর কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি অসুস্থ: হাসপাতালে ভর্তি সাতক্ষীরা কালিগঞ্জে ৩৩৬০ কেজি রাসায়নিকযুক্ত আম জব্দ ২৩ এপ্রিল সাতক্ষীরার পারকুমিরা গণহত্যা দিবস শ্রীমঙ্গলে নির্ভীক সাংবাদিক এহসান এর বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার, থানায় জিডি কয়রায় মানব পাচার ও যৌতুক দাবিসহ নানা অভিযোগ বিএনপির সামনে পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ: ক্রাইসিস গ্রুপের সতর্কতা রায়পুরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

গফরগাঁওয়ের ঐতিহ্য ৪০০ বছরের কালুশাহর দিঘি

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 24-07-2023 07:34:10 am

◾রিপন গোয়ালা অভি  : ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার লংঘাইর ইউনিয়নের মাইজবাড়ী গ্রামে ইতিহাস ঐতিহ্যের অংশ ৪০০ বছরের বেশি পুরোনো কালুশাহ বা কালশার দিঘি।


জানা যায়, ষোড়শ শতকে সেকান্দর শাহের ছেলে ফরিদ শাহের ছোট ভাই কালুশাহ মাইজবাড়ীতে তার বাড়ীর সামনে প্রায় চৌদ্দ একর জমি জুড়ে একটি দিঘি খনন করেন। কালুশাহের বাকি ভাই ছিলেন, ফরিদ শাহ ও মানিক শাহ। বহু অনুসারী নিয়ে তারা গফরগাঁও উপজেলার লংগাইর ইউনিয়নের মাইজ বাড়ী গ্রামে ধর্ম প্রচারের জন্য আসেন।


তৎকালীন সময়ে মানুষের সুপেয় পানির অভাব মেটাতে তিনি এই সুবিশাল দিঘিটি খনন করা হয়। যা কালুশাহ বা কালশা দিঘি নামে পরিচিত।

 

কালুশাহ গফরগাঁও উপজেলার উস্থি ইউনিয়নের বড়বাড়ীতে ২টি দূর্গ স্থাপন করেন এবং দিল্লির সুলতানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এতে দিল্লির সুলতানের সৈন্যদের সাথে যুদ্ধ সংগঠিত হয়। যুদ্ধে কালুশাহ পরাস্ত হন ও তার মাথা কেটে সুলতানের সৈন্যগণ দিল্লী নিয়ে যায়। মাথাহীন দেহ পুকুরের পূর্ব পাড়ে সমাহিত করা হয়।


দিঘিটি এখনও পূর্বাবস্থায় বহাল রয়েছে। এই দিঘীর চারপাশে রয়েছে আরো ১০ একর জমি। দিঘিটিতে রয়েছে শত বছরের কাছিম, গুইসাপসহ নানা প্রজাতির পাখি। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক পরিবেশ মানুষকে মুগ্ধ করে। প্রতিদিন ভ্রমণ পিপাসুদের উপস্থিতি বাড়ছে।

৪০০ বছর পরেও দিঘিটি এলাকার মানুষের পানির অভাব পূরণ করে।


স্থানীয় লোকজন সরকারের কাছ থেকে দিঘিটিকে লিজ নিয়ে মাছ চাষ তাদের জীবন জীবিকা নির্বাহ করে। জেলা পরিষদের অর্থায়নে দিঘিটিতে ঘাট বাঁধানো হয়েছে।


লোক মুখে প্রচলিত এবং শতবর্ষী মুরুব্বিরা বলেন এই দিঘীতে কখনও কেউ ডুবে মারা যায় নাই। স্থানীয় মাইজবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা আবিদ হাসান বলেন, এই দিঘিটি ইতিহাসের অংশ। অনেক ভ্রমন পিপাসু মানুষ দিঘি দেখতে আসেন । 

 

গফরগাঁও আদর্শ শিশু নিকতনের প্রধান শিক্ষক এইচ কবির টিটো বলেন, এই দিঘিটা আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্যের অংশ এটাকে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

আরও খবর

69eb94443aef9-240426100316.webp
কবে কমবে লোডশেডিং, যা জানা গেল

১ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে