বাংলাদেশসহ ১৯ দেশের বিশেষ ওষুধে ১০০% শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বাংলাদেশকে নভেম্বর পর্যন্ত এলএনজি দিতে পারবে না কাতার এনার্জি: রয়টার্স নাসিরনগরের কুন্ডায় উঠান বৈঠকে গ্রাম আদালতের সেবা বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে শুভপুর উত্তর বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাচনে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শহীদ উদ্দিন বাবুল জাবিপ্রবি প্রশাসনের উদ্যোগে ৭৫০টি 'টার্নিটিন' অ্যাকাউন্ট পাচ্ছেন গবেষক ও শিক্ষার্থীরা শিগগিরই আরব সাগর থেকে শত্রুদের হটিয়ে দেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি ও বিদ্যমান সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির ভুরুলিয়ায় বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠনের প্রতিবাদ সমাবেশ নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৭১ আশাশুনির প্রতাপনগরে ১৫০ মিটার ওয়াবদা বেড়িবাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে ★১৪ মৌজার ৬ হাজার বিঘা মাছের ঘের-ফসলি জমি ঝুঁকিতে, আতঙ্কে এলাকাবাসী কমলগঞ্জে অভয় চরণ উচ্চ বিদ্যালয়ে সততা স্টোরের উদ্বোধন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ গ্রামাঞ্চলে ইটের বদলে পরিবেশবান্ধব ব্লক ব্যবহারের করতে হবেঃবন ও পরিবেশ মন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে নৌবাহিনীর নির্মিত টাগবোট ‘টিয়াখালী-৪’ লঞ্চিং: জাহাজ নির্মাণ শিল্পে নতুন মাইলফলক ‎ বাঘায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে একজন গুলিবিদ্ধ শার্শায় সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাগআঁচড়ায় বিএনপির বিক্ষোভ ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী গ্রেফতার পবিপ্রবির বরিশাল ক্যাম্পাসে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস -২০২৬ পালিত রায়পুরে বাড়ির রাস্তা বন্ধের চেষ্টা, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

‎মোংলায় যুদ্ধজাহাজ দ্রুত মেরামতে বিশেষ ডকিং ফ্যাসিলিটি: নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত

ছবি সংগৃহীত

মোংলা প্রতিনিধিঃ 
‎
‎বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের সক্ষমতা বাড়াতে মোংলায় ‘শিপ ডকিং অ্যান্ড রিপেয়ার ফ্যাসিলিটি (মোংলা স্লীপওয়ে)’ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, যা যুদ্ধজাহাজ ও সহায়ক জাহাজসমূহে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

‎বুধবার, ২৪ জুন, বানৌজা মোংলায় এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান ‘শিপ ডকিং অ্যান্ড রিপেয়ার ফ্যাসিলিটি (মোংলা স্লীপওয়ে)’ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। এই অত্যাধুনিক স্লীপওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও সহায়ক জাহাজসমূহের রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। প্রকল্পের মাধ্যমে জাহাজের ডকিং, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কার্যক্রমকে আরও দ্রুত, কার্যকর এবং ব্যয়-সাশ্রয়ী করে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে নৌবাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় জাহাজসমূহের প্রয়োজনীয় মেরামত সম্পন্ন করার সুযোগ বাড়বে, যা বিদেশি বা বেসরকারি স্থাপনার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনবে এবং যুদ্ধজাহাজ ও সহায়ক জাহাজের সার্বক্ষণিক অপারেশনাল প্রস্তুতি বজায় রাখা সহজতর হবে। এই উদ্যোগটি দেশের প্রতিরক্ষা খাতের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
‎
‎প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নৌবাহিনীর অপারেশনাল কার্যক্রমে যে সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে, তা কেবল মেরামতের গতি বৃদ্ধি এবং ব্যয় সাশ্রয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং, এটি যুদ্ধজাহাজের দীর্ঘমেয়াদী কার্যকারিতা নিশ্চিত করবে এবং জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের সক্ষমতাও বাড়াবে। পূর্বে, অনেক ক্ষেত্রেই মেরামতের জন্য বিদেশি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল থাকতে হতো, যা সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল ছিল। এই নতুন ফ্যাসিলিটি চালু হলে সেই নির্ভরতা কমবে এবং নৌবাহিনীর নিজস্ব জনবল ও প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতার বিকাশ ঘটবে, যা ভবিষ্যতের জন্য আরও উন্নত মেরামতের পরিবেশ তৈরি করবে। সামগ্রিকভাবে, এটি দেশের সামুদ্রিক অবকাঠামোর উন্নয়নেও এক নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা খাতে আত্মনির্ভরতা অর্জনের পথকে আরও সুদৃঢ় করবে।
‎
‎সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ‘শিপ ডকিং অ্যান্ড রিপেয়ার ফ্যাসিলিটি (মোংলা স্লীপওয়ে)’ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত শিল্পের বিকাশ ত্বরান্বিত হবে। এটি কেবল নৌবাহিনীর জন্যই নয়, বরং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এবং অন্যান্য সামুদ্রিক কার্যক্রমের জন্যও একটি সহায়ক অবকাঠামো হিসেবে কাজ করবে। এই প্রকল্পের ফলে একদিকে যেমন প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, তেমনই অন্যদিকে কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে। জাতীয় প্রতিরক্ষা খাতে আত্মনির্ভরতা অর্জনের পাশাপাশি এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের সামুদ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নেও এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে, যা ভবিষ্যতের জন্য একটি টেকসই ও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
‎
‎এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধ সক্ষমতায় এক নতুন মাত্রা যুক্ত হবে। দ্রুত মেরামতের সুযোগ তৈরি হওয়ায় যুদ্ধজাহাজগুলো আরও বেশি সময় ধরে অপারেশনাল অবস্থায় থাকতে পারবে, যা জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও, এটি দেশের সামুদ্রিক অর্থনীতি ও শিল্প খাতের উন্নয়নেও একটি অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে।
‎

আরও খবর