হাম উপসর্গে ঝরে গেল আরো ৯ শিশুর প্রাণ, আক্রান্ত ১৩৪১ আদমদীঘির চাঁপাপুর ইউপির চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিটলুর কর্মী সমাবেশ মোংলা নদীতে ভালোবাসার ফুল ছিটিয়ে বিশ্ব নদী দিবস পালন ডক্টর ডিগ্রি অর্জন করলেন কুতুবদিয়ার এ.কে.এম.সেলিম রেজা কুতুবদিয়ায় গত ৭ বছরে পুকুরে ডুবে ৩৯৭ শিশুর মৃত্যু পাঁচবিবিতে শশা ক্ষেতে টানা বৈদ্যুতিক ফাঁদে যুবকের মৃত্যু বাঘায় জামায়াতে ইসলামীর দাওয়াতী গণসংযোগ সাংবাদিকতা কি অন্য সাংবাদিকের নিন্দা করার নাম? বারইয়ারহাট জুয়েলারি ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি আজাদ; সম্পাদক রাকিব ব্যক্তির উন্নয়ন নয় দেশের উন্নয়নে কাজ করে বিএনপি-নুরুল আমিন এমপি প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী কলেজে নবীনবরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত পরকীয়ার অভিযোগে হামলায় গুরুত্বর আহত অভিযুক্ত, বাড়িতে আগুন দিল বিক্ষুব্ধ জনতা ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৩২ বরিশাল থেকে দেশজুড়ে ভ্রমণ-চার তরুণ উদ্যোক্তার হাত ধরে তৈরি হচ্ছে নতুন ট্রাভেল কমিউনিটি আজকের শিশুরাই আগামীতে পরিবার ও দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনবে - এমপি ডা. জীবন ‎মোংলায় ১৫০ শিক্ষার্থীর মাঝে বাঙালি ফাউন্ডেশনের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ লাখাইয়ে দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে মনের মাধুরী দিয়ে প্রতিমা তৈরি করেছেন কারিগররা। যাত্রাবিরতির দাবিতে মির্জাগঞ্জ স্টেশনে মানববন্ধন বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত : প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিবাদের দোসরদের গ্রেফতার করলেই পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কৃষিপণ্যে ধলতা বাতিলসহ ১০ দফা দাবিতে গোয়ালন্দে কৃষক সমিতির স্মারকলিপি

কৃষিপণ্যে ধলতা বাতিলসহ ১০ দফা দাবিতে গোয়ালন্দে কৃষক সমিতির স্মারকলিপি কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ধলতা ও তোলাবাজি বন্ধ, সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার সরবরাহ এবং কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানোসহ ১০ দফা দাবিতে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষক সমিতি। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) গোয়ালন্দ শহীদ মহিউদ্দিন আনসার ক্লাবের সামনে থেকে একটি র‍্যালি বের হয়ে উপজেলা চত্বরে র‍্যালি শেষ হয়। গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষক সমিতির পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। সংগঠনের নেতারা কৃষক ও কৃষির স্বার্থে দ্রুত দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়, দেশের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তিগুলোর একটি কৃষি। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামো কৃষির ওপর নির্ভরশীল হলেও কৃষক নানা দিক থেকে অবহেলা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বর্তমানে সার, ডিজেল, বীজ, কীটনাশক ও বিদ্যুতের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। কিন্তু উৎপাদিত ধান, পাট, পেঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের দাম সেই অনুপাতে বাড়ছে না। এতে উৎপাদন ব্যয় মেটাতে গিয়ে কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। গোয়ালন্দ একটি কৃষিপ্রধান উপজেলা। এখানে ধান, পাট, পেঁয়াজ, রসুন, তিল, তিশি, কালোজিরা, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদিত হয়। এসব কৃষিপণ্য স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি করতে গিয়ে কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের হয়রানি ও অনিয়মের মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে কৃষক সমিতি। স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, কৃষিপণ্য বিক্রির সময় প্রতি মণে এক থেকে চার কেজি পর্যন্ত ‘ধলতা’ দিতে হয়। এ ছাড়া কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৩৯ কেজি ৯০০ গ্রাম বা ৪০ কেজি ৯০০ গ্রাম ওজন হলেও অতিরিক্ত ৯০০ গ্রাম হিসাবের বাইরে বাদ দেওয়া হয়। এতে কৃষক ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কৃষক সমিতির নেতারা বলেন, একদিকে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে কৃষিপণ্যের ন্যায্য ও লাভজনক দাম নিশ্চিত হচ্ছে না। এর ওপর বাজারে পণ্য বিক্রির সময় ধলতার নামে অতিরিক্ত কৃষিপণ্য নেওয়া হলে কৃষকের লোকসান আরও বাড়ে। তাই কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ধলতা ও তোলাবাজি অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন। স্মারকলিপিতে কৃষকদের ১০ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে ধলতা ও তোলাবাজি বাতিল, সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের সার সরবরাহ, মানসম্মত বীজ ও কীটনাশক স্বল্পমূল্যে দেওয়া, জমির খাজনা, খারিজ ও ক্রয়-বিক্রয়ে সরকার নির্ধারিত ফি গ্রহণ, সেচকাজে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ এবং বাজারের অব্যবস্থাপনা দূর করা। এ ছাড়া কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে খাজনার হার নির্ধারণ করে তা দৃশ্যমান স্থানে তালিকাভুক্ত করা, প্রত্যেক ইউনিয়নে সরকারি কৃষিপণ্য ক্রয়কেন্দ্র চালু, প্রতিটি উপজেলায় হিমাগার স্থাপন করে মৌসুমি ফসল সংরক্ষণ, গোয়ালন্দ থেকে কামারডাঙ্গা পর্যন্ত মরা পদ্মার কচুরিপানা সরকারি উদ্যোগে পরিষ্কার করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা এবং গোয়ালন্দ উপজেলার খননকৃত খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করা, জলাবদ্ধতা নিরসন ও সরকারি জলাশয় জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, গোয়ালন্দ রাবেয়া ইদ্রিস মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল কাদের,উপজেলা কৃষক সমিতির সংগঠক মোঃ মজিবর রহমান, মোঃ হাবিবুর রহমান ও রতন কুমার সহ অন্যান্যকৃষকেরা। কৃষক সমিতির নেতারা বলেন, কৃষক বাঁচলে কৃষি বাঁচবে, আর কৃষি বাঁচলেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। তাই কৃষকের ন্যায্য অধিকার ও উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
আরও খবর