পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর দীর্ঘদিনের ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুকূলে নামজারি ও জমা খারিজ সম্পন্ন করে সরকারি খতিয়ান বিতরণের এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ২৪/০৬/২৫ গলাচিপা উপজেলা পরিষদ সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন হলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকদের হাতে খতিয়ান তুলে দেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন।
গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গলাচিপা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম ছগীর।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন বলেন, "শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে নিজস্ব জমি থাকা অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে বিদ্যালয়ের সীমানা নির্ধারিত হয়, অবৈধ দখল থেকে রক্ষা পায় এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নমূলক কাজ করা সহজ হয়। সরকারের এই যুগান্তকারী উদ্যোগের ফলে গলাচিপার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো এখন আইনগতভাবে সুরক্ষিত হলো।" তিনি এই মহৎ উদ্যোগের সাথে জড়িত উপজেলা প্রশাসন ও ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান বলেন, "গলাচিপা উপজেলার সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে আমরা বদ্ধপরিকর। আজকের এই খতিয়ান বিতরণ সেই লক্ষ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোর প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি আরও মজবুত হলো এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে সহায়ক হবে।"
বিশেষ অতিথি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম ছগীর বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে অনেক বিদ্যালয়ের জমির কাগজপত্র নিয়ে নানা সমস্যা বিদ্যমান ছিল। এই উদ্যোগের ফলে প্রধান শিক্ষকরা এখন নিশ্চিন্তে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে মনোযোগ দিতে পারবেন। আমরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।"
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে খতিয়ানগুলো তুলে দেওয়া হয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ। এই উদ্যোগের ফলে বিদ্যালয়গুলোর স্থাবর সম্পত্তির আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত হওয়ায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
১৮ দিন ২ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৩০ দিন ৫ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
৪৫ দিন ১৯ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
৪৬ দিন ৬ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৫৯ দিন ২ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
৬০ দিন ৬ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
৬৪ দিন ২২ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে