কমলগঞ্জে অভয় চরণ উচ্চ বিদ্যালয়ে সততা স্টোরের উদ্বোধন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ গ্রামাঞ্চলে ইটের বদলে পরিবেশবান্ধব ব্লক ব্যবহারের করতে হবেঃবন ও পরিবেশ মন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে নৌবাহিনীর নির্মিত টাগবোট ‘টিয়াখালী-৪’ লঞ্চিং: জাহাজ নির্মাণ শিল্পে নতুন মাইলফলক ‎ বাঘায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে একজন গুলিবিদ্ধ শার্শায় সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাগআঁচড়ায় বিএনপির বিক্ষোভ ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী গ্রেফতার পবিপ্রবির বরিশাল ক্যাম্পাসে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস -২০২৬ পালিত রায়পুরে বাড়ির রাস্তা বন্ধের চেষ্টা, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা শেরপুরে ‘আনসাং ওমেন নেশন বিল্ডার্স অ্যাওয়ার্ড’ বিজয়ী সমাজকর্মী রাজিয়া সামাদকে সংবর্ধনা বেগমগঞ্জে ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় ১ আসামী গ্রেপ্তার শেরপুরে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা তেলের ধাক্কায় বাড়ছে কৃষি উৎপাদন খরচ বিঘাপ্রতি ব্যয় বেড়েছে, ফসলের ন্যায্য দাম নিয়ে শঙ্কায় গোয়ালন্দের কৃষক গোয়ালন্দে মাদক নির্মূলে অভিভাবক সমাবেশ শিক্ষার্থীদের প্রতি অভিভাবকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত। শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত। সাতক্ষীরায় ‎আশাশুনিতে ভাঙনের মুখে বেড়িবাঁধ : ‎হাজার বিঘার মৎস্যঘের ও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রূপালী ব্যাংকের গোপীনাথপুর শাখার নতুন ভবনের উদ্বোধন ইসলামপুর উপজেলা কৃষকদলের সভাপতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল, সংবাদ সম্মেলন ডেকে বিএনপির প্রতিবাদ মিরসরাইয়ে লায়ন্স ক্লাবের দিনব্যাপী সার্ভিস প্রোগ্রাম নিয়োগপত্র পাচ্ছেন প্রাথমিকের চাকরিবঞ্চিতরা

কক্সবাজারে পর্যটনে ক্ষতি হাজার কোটি টাকা

সেনাবাহিনীর সহায়তায় কক্সবাজার সদর থানায় স্বাভাবিক কার্যক্রম শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে। এখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে পর্যটন শহরটির পরিস্থিতি। ব্যবসায়ীরা দোকানপাট খুলে ব্যবসার গতি ফেরানোর চেষ্টা করছেন। পর্যটন শিল্প ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখনো আতঙ্ক কাটেনি তাদের। প্রায় সব রেস্তোরাঁ বন্ধ। আবাসিক হোটেল-মোটেল খোলা রয়েছে। সংকট তৈরির পর থেকে এ পর্যন্ত পর্যটন ব্যবসায় প্রায় হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।


এদিকে সরকার পতনের পর থেকে কক্সবাজার শহর, জেলা-উপজেলা সড়কগুলোতে যানজট নিরসনে কাজ করছেন শিক্ষার্থীরা। ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করতেও দেখা গেছে তাদের। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে হাটবাজারে সচেতনতামূলক প্রচারও চালিয়েছেন তারা।


গত ৫ আগস্ট বিকেলে কক্সবাজারে থানা, ট্যুরিস্ট ও ট্রাফিক পুলিশের কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় লুট করা হয় গাড়ি, আসবাব, এসি, ফ্যান এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র। হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় চারটি হোটেলে ভাঙচুর, লুটপাট ও আগুন দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় কউক ভবন। লুটপাট ও ভাঙচুর করা হয় অর্ধশতাধিক দোকান এবং কয়েকটি বাসভবন। এসব ঘটনায় কক্সবাজারে সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।


ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে গত বুধবার বিকেলে সৈকত সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন হোটেল মালিক ও ব্যবসায়ীরা।


সমাবেশে কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম নেওয়াজ বলেন, গত ৩০ বছরে এই হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় কোনো অগ্নিসংযোগ-লুটপাট, চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেনি। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর কিছু চিহ্নিত ব্যক্তি এই অপকর্ম চালিয়েছে এবং চালানোর অপচেষ্টা করছে। আমরা নিরাপদে ব্যবসা করার পরিবেশ চাই।


হোটেল মালিকদের এই সমাবেশে ছিলেন কক্সবাজার-৩ (সদর, রামু ও ঈদগাঁও) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় মৎস্যবিষয়ক সম্পাদক লুৎফর রহমান।


তিনি বলেন, বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের কেউ এই চাঁদাবাজি, হামলা-লুটপাটে জড়িত নয়। কারও জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সম্মিলিত উদ্যোগে সব ধরনের অপকর্ম প্রতিরোধ করতে হবে বলে জানান তিনি।


এদিকে ব্যবসায়ীরা জানান, মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা না থাকায় আতঙ্ক কাটছে না তাদের। আর নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে পর্যটকরাও আসছেন না। ফলে বন্ধ রাখতে হয়েছে হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউস এবং রেস্তোরাঁ।


হোটেল সি প্রিন্সেসের সিনিয়র ম্যানেজার মাজেদুল বশর চৌধুরী বলেন, মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা না থাকায় ভয়ে আসা-যাওয়া করতে হচ্ছে। অনেক গেস্ট পরিস্থিতি বিবেচনায় কক্সবাজার আসছেন না। ফলে প্রধান ফটক বন্ধ রেখে হোটেলেই আছি আমরা।


রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম ডালিম বলেন, আমাদের সমিতিভুক্ত দেড় শতাধিক রেস্তোরাঁ রয়েছে। এর বাইরে রয়েছে আরও ২৫০টির মতো রেস্তোরাঁ। বর্তমানে সব বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে বুঝতে পারছি না।


হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর কাশেম বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের শুরু থেকে সরকার পতন পর্যন্ত পর্যটন শিল্পে অন্তত হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ক্ষতি কীভাবে পুষিয়ে নেব, তা আমাদের বোধগম্য নয়।

Tag
আরও খবর