জাবিপ্রবি প্রশাসনের উদ্যোগে ৭৫০টি 'টার্নিটিন' অ্যাকাউন্ট পাচ্ছেন গবেষক ও শিক্ষার্থীরা শিগগিরই আরব সাগর থেকে শত্রুদের হটিয়ে দেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি ও বিদ্যমান সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির ভুরুলিয়ায় বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠনের প্রতিবাদ সমাবেশ নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৭১ আশাশুনির প্রতাপনগরে ১৫০ মিটার ওয়াবদা বেড়িবাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে ★১৪ মৌজার ৬ হাজার বিঘা মাছের ঘের-ফসলি জমি ঝুঁকিতে, আতঙ্কে এলাকাবাসী কমলগঞ্জে অভয় চরণ উচ্চ বিদ্যালয়ে সততা স্টোরের উদ্বোধন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ গ্রামাঞ্চলে ইটের বদলে পরিবেশবান্ধব ব্লক ব্যবহারের করতে হবেঃবন ও পরিবেশ মন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে নৌবাহিনীর নির্মিত টাগবোট ‘টিয়াখালী-৪’ লঞ্চিং: জাহাজ নির্মাণ শিল্পে নতুন মাইলফলক ‎ বাঘায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে একজন গুলিবিদ্ধ শার্শায় সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাগআঁচড়ায় বিএনপির বিক্ষোভ ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী গ্রেফতার পবিপ্রবির বরিশাল ক্যাম্পাসে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস -২০২৬ পালিত রায়পুরে বাড়ির রাস্তা বন্ধের চেষ্টা, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা শেরপুরে ‘আনসাং ওমেন নেশন বিল্ডার্স অ্যাওয়ার্ড’ বিজয়ী সমাজকর্মী রাজিয়া সামাদকে সংবর্ধনা বেগমগঞ্জে ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় ১ আসামী গ্রেপ্তার শেরপুরে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা তেলের ধাক্কায় বাড়ছে কৃষি উৎপাদন খরচ বিঘাপ্রতি ব্যয় বেড়েছে, ফসলের ন্যায্য দাম নিয়ে শঙ্কায় গোয়ালন্দের কৃষক গোয়ালন্দে মাদক নির্মূলে অভিভাবক সমাবেশ শিক্ষার্থীদের প্রতি অভিভাবকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত।

উখিয়ার রেজু খালে ভয়ংকর সাকার ফিস

দক্ষিণ কক্সবাজারের রামু উখিয়ার অধিকাংশ জেলেদের আয়ের উৎস রেজু খাল। এই রেজু খালে রয়েছে নানান প্রজাতির মাছ। এই খালের মাছ সাগর কিংবা পুকুরের মাছের চেয়ে সুস্বাদু হওয়ায় প্রচুর চাহিদা থাকায় অন্যান্য মাছের তুলনায় দামও একটু বেশি। তবুও মানুষ মাছ বাজারে গেলে রেজু খালের মাছ বাজারে যাবেই যাবে। কিন্তু এই রেজু খালের মাছ হুমকির মুখে পড়েছে ভয়ংকর সাকার ফিসের উপস্থিতিতে। জেলেদের জালে আটকা পড়ছে সাকার ফিস,সম্প্রতি রেজু খাল থেকে এক জেলে মাছ ধরে বাজার বিক্রি করার সময় নজরে পড়ে প্রায় ৩,শ গ্রাম ওজনের এই সাকার ফিস। বাজারের ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে রেজু খাল থেকে জেলেরা ইতিপুর্বে অনেকবার এনেছিল সব মাছ মরে গেলেও এই মাছ মরে না, তবে কিন্তু বিক্রি না হওয়ায় তা ফেলে দেয়া হয়েছে বহুবার।

আসল নাম সাকার মাউথ ক্যাটফিস। তবে সাকার ফিশ নামেই অধিক পরিচিত। বৈজ্ঞানিক নাম হিপোসটোমাস প্লেকোসটোমাস। অ্যাকুরিয়ামে চাষযোগ্য বিদেশি প্রজাতির এই ক্ষতিকর সাকার ফিস এখন হরহামেশাই দেখা যাচ্ছে জলাশয় খাল বিলে। মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সাকার ফিস উন্মুক্ত জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়ায় দেশীয় অনেক প্রজাতির মাছ খেয়ে শেষ করে দিচ্ছে। এটি চিংড়ি, কালি বাউস, মাগুর ও শিং মাছসহ ছোট শামুক জাতীয় শক্ত খোলের প্রাণী খেয়ে সাবাড় করে ফেলে। জানা যায় এই মাছটি ২০০১ বা ২০০২ সালের দিকে ইউরোপের এক কূটনীতিক মেয়াদ শেষে চলে যাওয়া আগে ঢাকার গুলশান লেকে ছেড়ে দেন। এরপর সেখান থেকেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এটি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতির সাকার ফিশ ১৬ থেকে ১৮ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। এটি পানি ছাড়াই প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বাঁচতে পারে।’মৎস্য আইন ২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশে দেশীয় প্রজাতির মাছের ক্ষতি সাধন করে, এমন যেকোনো বিদেশি মাছ আমদানি ও চাষ দণ্ডনীয় অপরাধ।

অ্যাকুরিয়ামের শোভাবর্ধক এই সাকার ফিস উন্মুক্ত পরিবেশ পেয়ে আগ্রাসী রূপ ধারণ করেছে। দ্রুত বংশবিস্তার ও প্রচুর খাদ্য গ্রহণের কারণে জলাশয়ের মাছসহ অন্যান্য প্রাণী হুমকির মুখে পড়ছে। এরই মধ্যে এই সাকার ফিসের কারণে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছে বেশ কয়েকটি দেশের মৎস্য খাত। দ্রুত বংশ বিস্তারকারী এই সাকার ফিস কীভাবে জলাশয়গুলোতে ছড়াচ্ছে তার সঠিক তথ্য জানে না কেউ। আর দেশের মৎস্য খাতকে ধ্বংস করতে এটি দেশের প্রত্যন্ত জলাশয়ে ছড়িয়ে দিতে আন্তর্জাতিক কোনো চক্র জড়িত কিনা, এমন প্রশ্ন এখন অনেকের। সাকার ফিস এখন মাছ চাষিদের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই কি ভাবে যে এতো দ্রুত দেশের আনাচকানাচের খাল বিল পুকুর জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়ছে তা অনেকের কাছে বোধগম্য নয়। বিশেষ করে রেজু খালে ভয়ংকর সাকার ফিসের উপস্থিতি স্থানীয় জেলেদের মাঝে আতংকের কারন হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞ দের অভিমত এই সাকার ফিস এখন আমাদের জাতীয় শত্রু হয়ে দাড়িয়ে। দেশীয় মাছ রক্ষার সার্থে সাকার ফিস দেখা মাত্র মেরে ফেলতে হবে।

Tag
আরও খবর