শ্যামনগরে দুর্গা পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ড.মনিরুজ্জামান লাখাইয়ে পুজা মণ্ডপ পরিদর্শনে লাখাই প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। সাংবাদিকদের উদ্দেশে এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু বললেন, 'আমি যদি দুর্নীতি করি, সেটাও লিখবেন' তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় আলিম প্রথম বর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে পিএফজি ও ওয়াইপিএজি'র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঢাকায় পেশাদার বারিস্তা গড়ে তুলছে DSCA, দেশের প্রথম ISO-সার্টিফায়েড কফি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান উলিপুরে ছাত্র হিযবুল্লাহ্ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার কাউন্সিল ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত শার্শায় মোবাইলে ভিডিও ধারন করে প্রবাসী স্ত্রীর আত্মহত্যা সাতকানিয়ায় ‘মৌসুমী হিজড়া’র বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সেরার স্বীকৃতি পেলো শেরপুর জেলা প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি মহাষ্টমী: দেবীবন্দনা ও আমাদের সার্থকতা -সচ্চিদানন্দ দে সদয় পীরগাছায় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন !! তদন্ত প্রতিবেদনে অনিয়ম ও অর্থ দাবির অভিযোগ সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার হোক দুর্গাপূজায় দেবহাটায় শামীম হত্যা মামলায় ফজলুল হক আমিনী গ্রেপ্তার লোহাগাড়ায় ভাড়া বাসা থেকে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সাতকানিয়ায় চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যা রায়পুরে মন্দিরে কাজ করতে গিয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু

মেহেরপুরের ছেলে ফিজ ইন্ডিয়ার জনপ্রিয় ইউটিউবার।

মেহেরপুরের গাংনী পৌর এলাকার বাঁশবাড়ীয়া গ্রামে ১৯৯৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজ। বাংলাদেশ থেকে ২০১৯ সালে ইন্ডিয়ায় যান পড়াশোনা করতে। এখন তিনি লেখাপড়া করছেন কলকাতার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অব হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে, হোটেল ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে। ২০১৯ সালে লেখাপড়ার সুবাদে ইন্ডিয়ায় গিয়ে তিনি শখের বশে ইউটিউব চ্যানেল খোলেন। একের পর এক ঘুরতে থাকেন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং সেগুলো ক্যামেরাবন্দী করতে থাকেন। জানা যায়, কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, গোয়া, কেরালাসহ এ পর্যন্ত দেশটির ১২টি রাজ্য ঘুরেছেন ফিজ। প্রতিটি রাজ্য নিয়েই তিনি বানিয়েছেন ভ্রমণ ভ্লগ। দেখিয়েছেন কীভাবে অল্প খরচে ইন্ডিয়ার সব দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ করা যায়। ধীরে ধীরে সে ওখানে জনপ্রিয় হয়ে যান ইউটিউবার হিসেবে। দেশে তার জনপ্রিয়তা তৈরি হচ্ছে এখন। একেবারে মেহেরপুরের আঞ্চলিক ভাষায় ভ্লগ করেন ফিজ। বর্তমানে ফেসবুক আর ইউটিউব মিলে তার ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় ৯ লাখ।


পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, মাবিয়া খাতুন নামে ফিজের এক ফুফু আছে ইন্ডিয়ায়। ফিজের ছোট ফুফু মাবিয়া খাতুনের বিয়ে হয় ইন্ডিয়ার নদীয়া জেলায়। একসময় সীমান্তে দুই দেশের মানুষের অবাধ যাতায়াত ছিল পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই। ঠিক ওই সময়ে, সেই আশি বা নব্বই দশকে মাবিয়া খাতুনের বিয়ে হয় নদীয়ায়। তখনো কাঁটাতারের বেড়া ওঠেনি সীমান্তে। ফিজ তার দাদির সাথে যেতেন ছোট ফুফুর বাড়ি। ফুফু ভীষণ ভালোবাসতেন ফিজকে।



তারপর হঠাৎ এক সময় কাঁটাতারের বেড়া ওঠে সীমান্তে। হাজার হাজার পরিবার একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় পরস্পর থেকে। কান্নার রোল ওঠে সীমান্তবর্তী জনপদগুলোতে।




অনেকের মতো এক সময় ফিজেরও ফুফুর বাড়ি যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। তবুও ফিজ মাঝে, মাঝে সীমান্তে যেতেন আর ফুফুর দেখা না পেয়ে ঘুরে আসতেন। সীমান্তবর্তী জেলায় বসবাস করায় ফিজের বাড়ি থেকে খুব বেশি দূরে ছিল না তার ফুফুর বাড়ি। কিন্তু দেশ তো ভিন্ন। ফিজের সাত-আট বছর বয়স তখন। 


এক সময় কিশোর বয়সের ফিজের মধ্যে ভীষণ ইচ্ছে জাগে ফুফুকে একদিন দাদির কাছে আনবে! ফিজের সে স্বপ্ন পূরণও হয়েছে। পড়তে গিয়ে প্রথমে ফুফুর বাড়িতেই ওঠেন ফিজ। প্রায় ১৩ বছর পর দাদির সঙ্গে তার ফুফুর কথা বলিয়ে দেন।


ফিজের বাবা মিজানুর রহমান মিজান নিজের কনস্ট্রাকশনের ব্যবসার কাজে থাকতেন ঢাকায়। ফলে মা মমতাজ বেগম একটু শাসনেই রেখেছিলেন ফিজকে। গ্রামময় টইটই করে ঘুরে বেড়ানো এবং খুবই চঞ্চল প্রকৃতির ছিলো ফিজ, মায়ের শাসন বারণ না মানার জন্য। প্রায় প্রতিদিনই ভাগ্যে জুটত মার কিংবা বকা। বাবাও ঢাকা থেকে নিয়মিত ছেলের খোঁজখবর নিতেন মোবাইল ফোনে। দুরন্ত ফিজের কাজকর্ম সম্পর্কে বেশ ধারণা ছিল বাবার। এজন্য তাকে মাঝে, মাঝে তুই আমার অলক্ষ্মী ছেলেও বলতেন বাবা। এটা শুনতে মোটেও ভালো লাগত না ফিজের। ফল যা হওয়ার তা-ই হলো। ২০১৫ সালের দিকে ফিজ এইচএসসি পাস করে অভিমানে মেহেরপুর থেকে পালিয়ে চলে গেলেন গাজীপুরে। উঠলেন চাচার বাসায়। চাচা আবার সংবাদ দিলেন তার বাবাকে। ফলে গিয়ে উঠতে হলো তার বাবার কাছে ঢাকা মোহাম্মদপুরে। ভাগ্যে জুটল বাবার প্রচণ্ড মার ও বকা। কী আর করা! ভর্তি হলেন মোহাম্মদপুরের একটি কলেজে। সেখান থেকে ইন্ডিয়ায়। 


এখন অবশ্য ফিজের বাবা তাকে অলক্ষী থেকে লক্ষী ছেলে বলে ডাকেন। ফিজের এলাকাবাসীরা জানান, প্রথম দিকে আমরা অনেকেই তাকে নিয়ে ট্রল করতাম। বিভিন্ন ভাবে হেনস্তা করতাম। বাজে মন্তব্য করে উপহাসও করেছি অনেক। গ্রামে তার কর্মকাণ্ড দেখে এক সময় আমরা তাকে উন্মাদ বলেও আক্ষা দিতাম। তবে কারো সমালোচনা ফিজ কে দমিয়ে রাখতে পারেনি। সে তার লক্ষে অটুট ছিলো, যার ফলে আজকের এই সাফল্য। এখন ফিজ কে নিয়ে আমাদের অনেক গর্ব হয়। আর এক সময় তাকে নিয়ে করা বাজে মন্তব্যের জন্য খুব আফসোস হয়। এখন ফিজ শুধু আমাদের গ্রামের নয়, পুরো জেলার গর্ব।

আরও খবর

deshchitro-647ad6e1d149e-030623120001.webp
লিবিয়া বাংলাদেশির মৃত্যু।

১২৩৩ দিন ১৭ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে




deshchitro-6465f633446c3-180523035603.webp
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি যুবক নিহত

১২৪৯ দিন ৫ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে