ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিপুল ভোটে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল বিজয়ী যশোরে ডিবির অভিযানে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজন আটক, প্রাইভেটকার জব্দ শ্যামনগরে জলবায়ু শিক্ষা ও আদিবাসী অধিকার সচেতনতায় কুইজ কটিয়াদীতে মুমুর্দিয়া ইউনিয়নের বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের আবেদন ফরম জমা আশাশুনিতে সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনের অর্ধ-বার্ষিক সভা ইসলামপুরের সাজাপ্রাপ্ত বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার পত্নীতলায় দিনব্যাপী ফ্রী হেলথ ক্যাম্প ২০২৬ অনুষ্ঠিত চার বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার জাতীয় যুব দিবসে যুব পুরস্কার পাচ্ছেন ১৪ জন দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশের ভূমিকা অগ্রগণ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পীরগাছায় দারুল ইসলাম মাদ্রাসায় সবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ ২৮ অক্টোবর পল্টনে লগি-বৈঠার নৃশংস হত্যাকাণ্ডে দোষীদের বিচারের দাবিতে বাঘায় জামায়তের বিক্ষোভ মিছিল বাঘায় দিনব্যাপী উদ্যোক্তা সম্মেলন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় চাঞ্চল্যকর জাকারিয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হুজাইফা গোয়ালন্দে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল ৩ টি ঘর, গরু ও ৬০ মণ ধান নরসিংদীতে অস্ত্র, মাদক ও নগদ ১০ লাখ টাকাসহ বিপুল সরঞ্জাম উদ্ধার উলিপুর উপজেলা মডেল মসজিদে শুদ্ধ উচ্চারণে পবিত্র কুরআন শরীফ শিখানো হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা স্থগিত, নতুন তারিখ ঘোষণা বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেলে নবজাতকের মৃত্যু, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি পরিবারের কুলিয়ারচরে মুছা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নবগঠিত এডহক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি নাগরিক সমাজের

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 14-03-2023 11:00:28 am

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের নাগরিক সমাজ। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে আইনটি নিয়ে আলোচনা করে এ দাবি জানান নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।


মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আইনটি নিয়ে আলোচনা হয়। আইনমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নাগরিক সমাজের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ইফতেখারুজ্জামান, ড. সি আর আবরার, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, রেজাউর রহমান লেনিন, সাইমুম রেজা তালুকদার, শারমিন খান।


বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দুর্নীতিবিরোধী সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, কথা ছিল আজ দুটি আইন নিয়ে কথা বলা হবে। একটা ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, যেটা অলরেডি বলবত আছে। সেটা নিয়ে যে উদ্বেগের বিষয়, সেগুলো নিয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি।


তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কে গণমাধ্যমসহ দেশের সব নাগরিকের একটা বড় ধরনের উদ্বেগ আছে। মন্ত্রীও তার আলোচনায় বলেছেন এটার অপব্যবহার হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে, সেটা সরকার অবহিত আছেন।


টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে অনেকগুলো যুক্তি উপস্থাপন করে আমরা বলেছি, আমরা মনে করি এ আইন বাতিল করা দরকার, তাছাড়া কোনো বিকল্প নেই। মৌলিক যে বিচ্যুতিগুলো আছে এবং উদ্বেগের জায়গাগুলো আছে, পাশাপাশি অপব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে আইনটিতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে।


সেটার প্রেক্ষিতে আমরা মনে করি যদি আইনটি ঢেলে সাজানোও হয়, তাহলেও হয়তো সেটা গ্রহণযোগ্য হবে না সবার কাছে। জনকল্যাণ মুখি হবে না বলে আমাদের উদ্বেগ আছে। সে কারণে আমরা মনে করি আইনটি বাতিল করা দরকার। তার প্রেক্ষিতেই আমরা আলোচনাটা করেছি বলে জনান ইফতেখারুজ্জামান।


তিনি বলেন, মন্ত্রী এটি বিবেচনায় নেবেন তার সঙ্গে যারা ছিলেন তারা আমাদের বলেছেন। কী অবস্থান হবে সেটি আমাদের জানার বিষয় মন্ত্রীর কাছ থেকে, সরকারের কাছ থেকে।


দ্বিতীয় যে বিষয়টি ছিল সেটি হলো, খসড়া যে ডেটা প্রোটেকশন অ্যাক্ট সেটি নিয়ে আলোচনা করা। কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে সেটি নিয়ে আলোচনা হয়নি। এটির নতুন আরেকটি খসড়া হয়েছে সেটি আজও ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। আমাদের কাছে এটির একটি কপি হস্তান্তর করা হয়েছে-বলেন ইফতেখারুজ্জামান।


তিনি বলেন, আগামী মাসের ৬ তারিখে (৬ এপ্রিল) খসড়া আইনটি নিয়ে আলোচনা করা হবে। খাসড়া আইনটি নিয়ে এরই মধ্যে নাগরিক সমাজ, অংশজনদের কাছ থেকে বিভিন্ন মন্তব্য, পরামর্শ এসেছে।


এরপর আইনমন্ত্রী বলেন, আজ দুটি আইন নিয়ে আলাপ করার কথা ছিল। একটা হচ্ছে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, আরেকটা হচ্ছে ডেটা প্রটেকশন অ্যাক্ট। যেহেতু ডাটা প্রটেকশন অ্যাক্টের একটা নতুন ড্রাফট হয়েছে, আজও ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে তারা সেটা দেখে আসেননি। সে কারণে মিউচুয়াল আলোচনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত পৌঁছেছি ডাটা প্রোটেকশন অ্যাক্ট নিয়ে আগামী ৬ এপ্রিল বসবো। সেখানে সেটা নিয়ে আলোচনা হবে।


তিনি বলেন, আমি যতটুকু জানতে পেরেছি আগের মিটিংয়ে যেসব সাজেশন দেওয়া হয়েছিল তার অনেকগুলোই সেখানে কনসিডারেশন করা হয়েছে।


মন্ত্রী বলেন, আজ মূলত ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। তারা তাদের প্রস্তাবনার আলোকে যুক্তি আজ পেশ করেছেন। আমরা ১২টার সময় বসেছি এবং সোয়া ২টা পর্যন্ত তাদের পক্ষই মূলত আমরা শুনেছি।


তিনি বলেন, যেখানে সমস্যা আছে সেই সমস্যা দূর করার জন্য অনেকগুলো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আমরা মনে করি কোনটা কোনটা পরিবর্তন দরকার এবং কোনটা কোনটা সঠিক আছে সেটা আমরা তুলে ধরিনি। তার কারণ হচ্ছে আমরা আজ সেই সময় পাইনি। সেজন্য আমরা আবারও ৩০ মার্চ বেলা ১১টার সময় ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে আলোচনা কন্টিনিউ করবো। সেই দিন ইনশাল্লাহ সমাপ্তি হবে বলে আমার মনে হয়।


বাতিলের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেখেন আলোচনা হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি সব পক্ষে কথা শোনার। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাইবার ক্রাইমের বিরুদ্ধে লড়াই করতে করা হয়েছে, সেইখানে আমরা থাকতে চাই। এ আইনের প্রয়োজনীয়তার কথা সবাই বলেছেন। এটি যদি ভালো করা যায়, যে সমালোচনা হচ্ছে, তা যদি দূর করা যায়, সেটা চেষ্টা করছি।

আরও খবর