প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার হেনস্তা নিয়ে মুখ খুলল ভারত লিভার সুস্থ রাখার ৫ সহজ উপায় নোয়াখালীর কৃতি সন্তান সিলেটের জেলা প্রশাসক সেনবাগের পিংকি সাহা ক্ষেতলালে ভিটামিন "এ" প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত জুলাই শহীদ "সামিদ"-এর কবর যিয়ারতে ক্ষেতলালে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বানিয়াচংয়ে থানা পুলিশের মবিলাইজেশন ড্রিল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনা আশাশুনি উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির মাসিক সভা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে কালিগঞ্জে যুবদলের মিছিল নোয়াখালীতে আ.লীগের ১২ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার লাখাইয়ের পরিদর্শিকা সুচিত্রার নানা অপকর্মে অতিষ্ঠ হয়ে ভোক্তভোগীদের তিন দপ্তরে অভিযোগপত্র জমা। অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ দিনাজপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল,: সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ঐক্যের ডাক লালপুরে সাজিদ জুট মিলে ডাকাতির ঘটনায় গ্রেফতার ৬, মালামাল উদ্ধার ‎আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তালা উপজেলা যুবলীগ নেতা মিন্টু গ্রেফতার ঈশ্বরগঞ্জে আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সংলাপ অনুষ্ঠিত গোয়ালন্দে পারিবারিক কলহে গলায় ফাঁস নিয়ে যুবকের আত্মহত্যার অভিযোগ আদমদীঘিতে পুলিশের অভিযানে নারীসহ তিনজন গ্রেপ্তার বানিয়াচংয়ে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা শ্যামনগরে জলাবদ্ধতা নিরসনে মানববন্ধন

লালপুরে পদ্মা নদীর তীর রক্ষা বাঁধের ব্লক ধসে ভাঙন আতঙ্ক

লালপুরে পদ্মা নদীর তীর রক্ষা বাঁধের ব্লক ধসে ভাঙন আতঙ্ক আবু তালেব, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি : নাটোরের লালপুর উপজেলার ঈশ্বরদী ইউনিয়নের পদ্মা নদীর বাম তীর রক্ষা বাঁধের বিভিন্ন স্থানে সিসি ব্লক ধসে পড়ায় নতুন করে ভাঙন আতঙ্কে পড়েছেন এলাকাবাসী। জানা গেছে, উপজেলার পালিদেহা, গৌরীপুর, নুরুল্লাপুর, লক্ষ্মীপুর হয়ে তিলকপুর পর্যন্ত ২২৬ কোটি ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮ দশমিক ৫৮৫ কিলোমিটার দীর্ঘ তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে সম্প্রতি গৌরীপুর তালতলা এলাকা সহ কয়েকটি স্থানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ মিটার অংশজুড়ে সিসি ব্লক নদীতে ধসে গেছে। বর্তমানে নদীতে স্রোত থাকায় আরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীরা জানান, এলাকাটি পদ্মা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় প্রতিদিন বহু মানুষ এখানে ঘুরতে আসেন। কিন্তু বাঁধের ব্লক ধসে পড়ায় নদীর পাড়ে ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে আশপাশের বসতবাড়ি ও চলাচলকারী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সচেতন মহল মনে করেন, কিছু অসচেতন ব্যক্তি মাছ ধরার সময় বাঁধের জিও ব্যাগ ও ব্লকের ফাঁকা স্থানে গর্ত করে বাঁশ, কাঠ বা লোহার রড পুতে রাখেন। এতে জিও ব্যাগ ফুটো হয়ে ভেতরে পানি ঢোকার কারণে ধসের সৃষ্টি হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি বলেও তারা মত দিয়েছেন। ঈশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ রঞ্জু বলেন, “বর্ষাকালে নদীর প্রবল স্রোতে নুরুল্লাপুর, গৌরীপুর ও লক্ষ্মীপুর এলাকায় তীর রক্ষা বাঁধের কয়েকটি স্থানে ব্লক ধস দেখা দিয়েছে।” এ বিষয়ে লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান বলেন, “ঘটনাটি আমাদের জানা আছে। বিষয়টি নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে।” নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রিফাত করিম বলেন, “বাঁধ ধসের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”
Tag