নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি খান মাহমুদ আলমের এক আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট।
গত বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন—
> “আমার গ্রামে সামাজিক দ্বন্দের কারণে খুন হয়, যে দ্বন্দ্বে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। এরপর আমার বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হলো, খুনের মামলায় আমাকে ১ নম্বর আসামি করে জেলে পাঠানো হলো। কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাকে বহিষ্কার করা হয়। এখন লোহাগড়ার কেউ কেউ চেষ্টা করছে যাতে আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার না হয়। কেন এই চাওয়া?”
তিনি আরও বলেন,
> “আমি কি আন্দোলন-সংগ্রামে কারো চেয়ে পিছে ছিলাম? কারো চেয়ে কম নির্যাতনের শিকার হয়েছি? কম জেল খেটেছি? সাংগঠনিকভাবে দুর্বল ছিলাম? ভাবতে কষ্ট হয়, চোখে জল আসে— কেন আমার প্রতি এত অন্যায় ও অবিচার?”
পোস্টের শেষে তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে লিখেছেন—
> “ন্যায়-অন্যায়, সত্য-মিথ্যা বোঝার বিবেক আল্লাহ তাআলা আপনাদের দিয়েছেন, আমি আপনাদের বিবেকের ওপর ছেড়ে দিলাম। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয়ের জন্য সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করুন। যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে ক্ষমা করবেন। সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করি। আল্লাহ হাফেজ।”
৭ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
১২ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
১২ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
১২ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে