জামালপুরের ইসলামপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় কৃষক লীগে এক নেতার নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে অন্তত ১০ ব্যক্তিকে বেধড়ক মারধর করার ঘটনা ঘটেছে।
গত ৬ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার যমুনা নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল সাপধরী ইউনিয়নের প্রজাপতি গ্রামে এঘটনাটি ঘটে। এঘটনায় অভিযুক্ত ইউনিয়ন কৃষক লীগ নেতা ওয়াহাব মণ্ডলকে প্রধান আসামি দিয়ে ৭ জনের নামোল্লেখে ইসলামপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, প্রজাপতি গ্রামের বাসিন্দা সাপধরী ইউনিয়ন কৃষক লীগের নেতা আব্দুল ওয়াহাব মণ্ডলসহ তাঁর লোকজনের সঙ্গে একই এলাকার মৃত হাজি হযরত আলী মণ্ডলের ছেলে আতাউর রহমানের বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। আতাউর এবং তাঁর পরিবারের লোকজনের ক্ষয়ক্ষতির করাসহ মারধরের হুমকি দিয়ে আসছিল কৃষক লীগ নেতা আব্দুল ওয়াহাব মণ্ডলসহ তাঁর লোকজন। এক পর্যায়ে গত ৬ অক্টোবর সকালে প্রতিপক্ষের কয়েকটি ছাগল আতাউরের রোপণকৃত ধান খেয়ে ক্ষতি করে। এতে আতাউরের ভাতিজা নাজিম ছাগলগুলো খেত থেকে তাড়িয়ে দিয়ে প্রতিপক্ষদের বিষয়টি অবগত করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে গালিগালাজ করে। এক পর্যায়ে নাজিমকে বেধড়ক মারধর করে। ডাক-চিৎকারে এসময় নাজিমকে উদ্ধারে আতাউরের লোকজন এগিয়ে এলে তাঁদের ওপর কৃষক লীগ নেতা আব্দুল ওয়াহাব মণ্ডলের হুকুম হামলা করা হয়। এতে ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহতরা হলেন আব্দুল হামিদ (৫৫), হাবিবুর রহমান (৫০), নুর ইসলাম (৫০), লুৎফর প্রমানিত (২৭) এবং আছাদ মণ্ডল (৬০)। আহতদের ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আহত নুর ইসলাম উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এঘটনায় আতাউর রহমান বাদী হয়ে কৃষক লীগ নেতা ওয়াহাব মণ্ডলসহ ৭ জনের নামে ইসলামপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ইসলামপুর থানার এসআই মো. আব্দুল হাই বলেন, 'আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মামলার তদন্ত কাজ চলছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত।
অভিযুক্ত কৃষক লীগ নেতা ওয়াহাব মণ্ডলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া না যাওয়ায় তাঁর কোনো মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
৫ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
১৮ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে