গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ ও বিক্ষোভ ডিসেম্বর সামনে রেখে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী ৭ নভেম্বরের সরকারি ছুটি পাবেন না যারা ইসলামপুরের নোয়ারপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত মিরসরাইয়ের মাঠ কাঁপানো কণ্ঠ সাইদুল ইসলাম, ধারাভাষ্যে মুগ্ধ হাজারো দর্শক চিলমারীতে একমাত্র "জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সুপ্তিকে" ব্রহ্মপুত্রের বিশেষ সংবর্ধনা দিনাজপুর সীমান্তে বিজিবি’র বিশেষ অভিযান: ৪৭ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার অনলাইন জুয়ার নেশায় তরুণ প্রজন্ম; পিছিয়ে নেই বালিয়াডাঙ্গী তাড়াইল হাসপাতালের সংকট ও উত্তরণের উপায় এআই লিখছে কবিতা-গল্প, তাহলে লেখকদের ভবিষ্যৎ কী? প্রয়াণ দিবসে জীবনানন্দ স্মরণ ‘স্রোতের’ যে পায় সে পায় - আহসান হাবিব বাঘার "৯০" এর বন্ধুদের তেতুলিয়া বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্ট আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন। চলমান শ্রমিক বিক্ষোভে ৫ শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ রয়েছে: বিজিএমইএ নোয়াখালীতে ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা দোকান ঘর-সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ব্যবসায়ীর জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ ৪ নভেম্বর থেকে সারাদেশে গ্যাসের সরবরাহ কমবে: পেট্রোবাংলা দুবলার চরে পাঁচ মাসের শুঁটকি মৌসুম শুরু, ১০ হাজার জেলের কর্মযজ্ঞ পোশাক খাতের অস্থিরতা নিয়ে জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবীনগরে মামার বাড়িতে বেড়াতে এসে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সড়কে মৃত্যুর মিছিল; রাজধানীর মিরপুর-১ মোড় যেন মৃত্যু কূপ

ছবি-দেশচিত্র

রাজধানী ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত মোড় মিরপুর-১ এর দুর্ঘটনা প্রতিনিয়ত ভয়াবহ হয়ে উঠছে। প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। স্থানীয়রা বলছেন, সড়কের শৃঙ্খলার অভাব, ফুটওভারব্রিজ ব্যবহার না করা, এবং বেপরোয়া গাড়ি চালনাই এর প্রধান কারণ।


বিগত এক মাসে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনার খবর নিশ্চিত করা গেছে। গত ১৩ আগস্ট একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কারণে লিখন হোসেন (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছিল। একই স্থানে গত ২ সেপ্টেম্বর মো.আজাদ (৪৬) নামে এক ব্যাক্তি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। 


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে, গত এক মাসে অন্তত সাত-আটটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। সম্প্রতি গত ৮ সেপ্টেম্বর, মালিহা তাবাসসুম নামে বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ৪র্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। উক্ত ৩ টি দুর্ঘটনার স্থান ই এই মিরপুর-১ এর মোড়। 


এই বিষয়ে এক পথচারী দৈনিক দেশচিত্রকে জানায় — “রাস্তা পার হতে গেলে দৌড় দিতে হয়, গাড়ি একটুও থামে না। বাসগুলো প্রতিযোগিতা করে রাস্তার পাশে চলে আসে। প্রতিদিনই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।" 


পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, মিরপুর-১ বাস স্ট্যান্ডে সড়ক পারাপারের জন্য ফুট ওভারব্রিজ থাকলেও ব্যবহার করছে না সাধারণ মানুষ। যত্রতত্র রাস্তা পার হচ্ছে, ট্রাফিক আইন মেনে চলছে না। সেই সাথে রয়েছে বাস চালকদের প্রতিযোগিতা। এছাড়া ফুটওভারব্রিজের নিচে ও ফুটপাতের অবৈধ দোকান ফুটওভারব্রিজ ব্যবহারে পথচারীদের অনীহা তৈরি করছে। 


একই কথা বলছে বাংলাদেশ ট্রাফিক পুলিশ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ট্রাফিক পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন— “প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক গাড়ি ও মানুষের চাপ থাকে। আমরা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছি। কিন্তু পথচারীরা ফুটওভারব্রিজ ব্যবহার না করলে, আর চালকরা সিগন্যাল না মানলে আমাদের একার পক্ষে দুর্ঘটনা ঠেকানো কঠিন।”


প্রসঙ্গত, মিরপুর-১ এ কয়েকটি বড় মার্কেট ও বিপনি-বিতান থাকায় প্রতিদিন ই মানুষের চাপ থাকে। ফলে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নতি করাই এখন মুখ্য বিষয়। পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন এবং সিগন্যাল ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করতে হবে। এছাড়া ফুটওভারব্রিজ ব্যবহারে সচেতনতা ও বাড়াতে হবে। 


পরিবহন বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। প্রশাসন, চালক ও পথচারী—সবাই সচেতন না হলে মিরপুর-১ এর মোড়কে নিরাপদ করা যাবে না। সচেতনতাই পারে বিপদ থেকে রক্ষা করতে। 


আরও খবর