ঈদুল আজহা সামনে রেখে পিরোজপুরের পশুর হাটে র‌্যাব-৮’র নজরদারি জোরদার নোয়াখালীর নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে পেলেন ২০ কেজির কোরাল মাছ ভিজিএফের চাল চাওয়ায় নারীকে জুতাপেটার অভিযোগ নারী ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে আদমদীঘিতে গাঁজার গাছসহ একজন গ্রেপ্তার সোনাইমুড়িতে ২ বছর পর কঙ্কাল উদ্ধার শার্শায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ১৬ হাজার গবাদিপশু দেওয়ানগঞ্জের সানন্দবাড়ী হাটে (পাগলা) মহিষের আক্রমণে নিহত ১ বানিয়াচংয়ে ৪নং ইউনিয়নে ১৭৭ জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের মাঝে নগদ টাকা ও চাল বিতরণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির আলোকে দিনাজপুরে সংসদ সদস্যের দিনব্যাপী কর্মসূচি সম্পন্ন লাখাইয়ে পৃথক পৃথক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ২ পলাতক আসামি গ্রেফতার। নাঙ্গলকোটে প্রত্যয় সংগঠনের প্রবাসী প্রতিনিধিদের বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে পরিদর্শণ কক্ষ উদ্বোধন ও জুলাই শহীদ পরিবারে ঈদ উপহার বিতরণ ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান—সাংবাদিক জামাল কাড়াল ক্ষেতলালে বেড়েছে খাইট্টার চাহিদা সাংবাদিককে হুমকি: মাদক ব্যবসায়ী যুবদল নেতাকে গ্রেফতারের দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে মানববন্ধন নাঙ্গলকোটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট শ্যামনগরে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কম আয়ের মানুষরা পাবে ১৪৮ মেট্রিক টনের উপর চাউল আল্-আমিন মডেল নূরানী একাডেমিতে ফলাফল প্রকাশ ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন। কাবিন ছাড়াই বিয়ে, ৯ মাস সংসার: ধর্ষণ মামলার আসামি আটক হলেও ৮ ঘণ্টা পর বাদীর ‘জিম্মায়’ মুক্তি বাঘারপাড়ায় পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

মোংলা নৌ চ্যানেলের খননকাজ আবারও শুরু হচ্ছে

ছবি সংগৃহীত

মোংলা প্রতিনিধিঃ


মোংলা বন্দরের জাহাজ চলাচল সক্ষমতা বৃদ্ধি ও নৌ চ্যানেলের গভীরতা বজায় রাখতে আবারও শুরু হচ্ছে খননকাজ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বন্দরে দেশি-বিদেশি অধিক ড্রাফটের বাণিজ্যিক জাহাজ ভিড়তে পারবে। এ ছাড়া খননকাজ শেষ হলে পণ্য আমদানি-রফতানিতে গতি বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এ খননকাজে ব্যয় হবে এক হাজার ৫ শ ৩৮ কোটি টাকা।


মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত মৃতপ্রায় বন্দরে পরিণত হয়েছিল মোংলা সমুদ্রবন্দর। সে সময় বন্দরটি অচল হয়ে পড়ার মূল কারণ ছিল বন্দরের বহির্নোঙর ও অভ্যন্তরীণ চ্যানেলে ড্রেজিং না করা। যার কারণে ওই সময়ে মারাত্মক নাব্যতা সংকট দেখা দেওয়ায় জাহাজ ভিড়তে পারতো না। মাসের পর মাস জাহাজশূন্য হয়ে অচলাবস্থা ছিল বন্দরজুড়ে। বন্দরের বহির্নোঙর ও অভ্যন্তরীণ চ্যানেলে নাব্য সংকটের কারণে কনটেইনারবাহী ৯ দশমিক ৫০ মিটার গভীরতা সম্পন্ন জাহাজ বন্দরে সরাসরি প্রবেশ করতে না পারায় আমদানি-রফতানিতে ব্যবসায়ীরা আগ্রহ হারান।


২০২০ সালে ৭১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৪ কিলোমিটার বহির্নোঙর ড্রেজিংয়ের কাজ শেষ হয়। এখন অভ্যন্তরীণ চ্যানেল দিয়ে বর্তমানে ৯ মিটার ড্রাফটের জাহাজ অনায়াসে আসা যাওয়া করছে। পরে বন্দর জেটিতে স্বাভাবিক জোয়ারে ৯ দশমিক ৫০ মিটারের অধিক গভীরতা সম্পন্ন জাহাজ আনার জন্য বন্দরের ১৪৫ কিলোমিটার নৌ চ্যানেলের মধ্যে ৪৫ কিলোমিটার নৌপথ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ১০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ ভিড়তে পারবে। এতে বন্দরের যেমন সক্ষমতা বাড়বে একই সঙ্গে নৌ চ্যানেলের নাব্যতা ফিরলে বড় জাহাজ ভিড়তে সমস্যা হবে না।


এ বিষয়ে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা প্রধান মো. জহিরুল হক বলেন, নৌ চ্যানেল এই বন্দরের প্রাণ। সেই চ্যানেলকে রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য ইতিমধ্যে একটি বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি পাঁচ বছর মেয়াদে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়ন করা হবে। এক হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নৌবাহিনী প্রকল্পের শেষ করবে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমান বলেন, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দরকে বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে নিয়মিত পশুর চ্যানেল ড্রেজিংয়ের বিকল্প নেই। প্রথমে বহির্নোঙর ড্রেজিং শেষ করে ২০২১ সালের ১৩ মার্চ অভ্যন্তরীণ ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই বন্দর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে। এরই মধ্যে আমরা সেটা প্রমাণ করতে পেরেছি’।


তিনি আরও বলেন, ‘এ বছর বন্দরে রেকর্ড সংখ্যক জাহাজের আগমন-নির্গমনের সঙ্গে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পেয়েছে। বন্দরকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে কিছু প্রকল্প শেষ হয়েছে। কিছু চলমান রয়েছে। বর্তমানে পশুর চ্যানেলের অভ্যন্তরীণ ড্রেজিংয়ের কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে নাব্যতা সংকট নিরসনসহ গতিধারা বাড়বে। দ্বিতীয় বৃহত্তম মোংলা সমুদ্রবন্দরের সক্ষমতা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে।

মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম, ও ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, দেশের অন্যতম এই বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গতিশীলতা বাড়াতে নৌ চ্যানেলে ড্রেজিংয়ের বিকল্প নেই। তাই যে কোন মূল্যে ড্রেজিং করতে হবে। কোনও কারণে ড্রেজিং বন্ধ হয়ে গেলে জাহাজ আসা যাওয়া ব্যাহত হবে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে বন্দর এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।



আরও খবর