মধুপুরে অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের মাঝে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান আশাশুনি-শামনগরের ত্রি মোহনায় প্রস্তাবিত থ্রি-নোজ ব্রীজের স্থান পরিদর্শন : স্বপ্নের পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে! দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত জুয়েলের বাড়িতে সাবেক ছাত্রনেতা মামুন মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে শেরপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের জন্য হারমোনিয়াম, তবলা ও সেলাই মেশিন প্রদান ঝিনাইগাতীতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ কুলিয়ারচরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত: সম্মাননা পেলেন স্বাস্থ্যকর্মীরা বাঘায় চুরি হওয়া ট্রাক পাবনার ভাঙুরা উদ্ধার টেকনাফে আকস্মিক বন্যা; ৩৮০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি সহায়তা শুরু যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোর। নিখোঁজের দুদিন পর ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী অভিযানে তিনজনের কারাদন্ড একটু বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধ নোয়াখালী জেলা শহর, ভোগান্তিতে দেড় লাখ মানুষ চর আমখাওয়া ইউনিয়ন কৃষকদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন: সভাপতি মনিরুজ্জামান (মনি) ও সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক নারীর অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছে খান ফাউন্ডেশন - মঈন খান তরুণরা হবে কাম্য জনসংখ্যা তৈরির মূল স্বপ্নদ্রষ্টা জয়পুরহাটে আন্তঃজেলা চোর চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার, ইজিবাইক উদ্ধার লাখাই থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা এবং নগদ টাকা সহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার। বাঁশখালীতে বন্যা কবলিত মানুষের কাছে ছুটে আসলেন,প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম জয়পুরহাটে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বিশাল জনসভা চৌদ্দগ্রাম ২৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ২৩ বোতল বিদেশি মদ সহ ১জন গ্রেফতার

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্চে জোংরা(ফাতলা)

মো. ফরমান উল্লাহ - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 28-06-2024 03:37:56 pm


আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য জোংরা(ফাতলা)।  গ্রামের কৃষকদের বৃষ্টির দিনে বৃষ্টি থেকে রক্ষার একমাত্র মাধ্যম ছিল জোংরা(ফাতলা)। এলাকা বেদে ভিন্ন ভিন্ন  নামকরণ হয়ে থাকে। যেমন জোংরা, জুঁইর, ফাতলা, মাতলা ইত্যাদি ইত্যাদি।


আশির দশকের দিকে কৃষকরা বৃষ্টির দিনে এই জোংরা (ফাতলা) মাথায় দিয়ে কৃষি কাজ করতো। আবার হাট-বাজারেও যেত মাথায় দিয়ে। তখনকার সময় রোদ বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য জোংরা ছিল একমাত্র ভরসা। তখন ছাতার ব্যবহার খুবই কম ছিল। তখন ছাতা ছিল ধনী লোকদের হাতে। গ্রামের সাধারন মানুষ ছাতা ব্যবহার করতো না। কেউ যদি কোন আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যেত তখন পাশের বাড়ির কারো ছাতা থাকলে তার নিকট থেকে চেয়ে নিত। 


জোংরা তৈরী হতো গাব পাতা বা বট পাতা দিয়ে। মাঝে মাঝে পলিথিন দিয়েও তৈরী করা হতো। তখন কিন্তু মানুষে পলিথিন ও বেশী চিনতো না। তারা পলিথিনকে বলতো সারের কাগজ। ইউরিয়া সারের বস্তার ভিতর যে সাদা পলিথিনের প্যাকেট থাকতো তাকে গ্রামের সাধারন মানুষ সারে কাগজ বলতো।


বর্তমানে আধুনিক যুগ। এখন প্রত্যেক পরিবারে জন প্রতি বাহারী রঙের ছাতা ব্যবহার করছে। ছাতার উৎকর্ষতায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার এতিহ্যবাহি জোংরা বা ফাতলা। এক সময়ের অতি প্রয়োজনীয় জোংরা নামে কোন কিছু ছিলো তা নতুন প্রজন্ম  চিনে না। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো জোংরা নাম একেবারে মুছে যাবে যা আর কোন দিন কেউ চিনবে না।

আরও খবর






6a4f625fd1d6d-090726025703.webp
নদীকে বাঁচাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

৩ দিন ৪ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে