নন্দীগ্রামে মেধা মূল্যায়নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে কৃষক পরিবারকে বিরোধপূর্ণ পৈতৃক বসতভিটা দখল দিলেন বিচারক জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবি ও স্থানীয় অভিযোজনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে কপ৩১-এ অংশ নিচ্ছে লিডার্স সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশী নিহত নাঙ্গলকোটে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা কুলিয়ারচরে ৭ নভেম্বর উপলক্ষ্যে বিএনপির র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্রের বিষদাঁত ভেঙে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জাবিপ্রবিতে নিয়মবহির্ভূতভাবে ৫ শিক্ষক নিয়োগ, ইউজিসির সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে দেওয়া হচ্ছে বেতন শ্যামনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত লাখাইয়ে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন। মাগুরায় নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত স্টেশনের শুভ উদ্বোধন, দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সাদ আমিন বর্ণভী নিয়ামতপুর উপজেলা মডেল প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত, সভাপতি আব্দুল আজিজ ও সম্পাদক আইনুল পীরগাছায় পোনামাছ অবমুক্তের একদিন পরই নিধন, ক্ষতির মুখে লিজগ্রহীতা গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়ালো সরকার, যুক্ত হলো মাসিক মোবাইল বিলও মৌলভীবাজারে সোনার বাংলা আদর্শ ক্লাবের ৮ম মেধা যাচাই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শেরপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন অপতথ্য ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে একটি মহল: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী পীরগাছায় পুকুরে বিষ প্রয়োগে প্রায় ১৬ মণ মাছ নিধনের অভিযোগ, ক্ষতি দেড় লাখ টাকা জাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ পালিত

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্চে জোংরা(ফাতলা)

মো. ফরমান উল্লাহ - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 28-06-2024 03:37:56 pm


আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য জোংরা(ফাতলা)।  গ্রামের কৃষকদের বৃষ্টির দিনে বৃষ্টি থেকে রক্ষার একমাত্র মাধ্যম ছিল জোংরা(ফাতলা)। এলাকা বেদে ভিন্ন ভিন্ন  নামকরণ হয়ে থাকে। যেমন জোংরা, জুঁইর, ফাতলা, মাতলা ইত্যাদি ইত্যাদি।


আশির দশকের দিকে কৃষকরা বৃষ্টির দিনে এই জোংরা (ফাতলা) মাথায় দিয়ে কৃষি কাজ করতো। আবার হাট-বাজারেও যেত মাথায় দিয়ে। তখনকার সময় রোদ বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য জোংরা ছিল একমাত্র ভরসা। তখন ছাতার ব্যবহার খুবই কম ছিল। তখন ছাতা ছিল ধনী লোকদের হাতে। গ্রামের সাধারন মানুষ ছাতা ব্যবহার করতো না। কেউ যদি কোন আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যেত তখন পাশের বাড়ির কারো ছাতা থাকলে তার নিকট থেকে চেয়ে নিত। 


জোংরা তৈরী হতো গাব পাতা বা বট পাতা দিয়ে। মাঝে মাঝে পলিথিন দিয়েও তৈরী করা হতো। তখন কিন্তু মানুষে পলিথিন ও বেশী চিনতো না। তারা পলিথিনকে বলতো সারের কাগজ। ইউরিয়া সারের বস্তার ভিতর যে সাদা পলিথিনের প্যাকেট থাকতো তাকে গ্রামের সাধারন মানুষ সারে কাগজ বলতো।


বর্তমানে আধুনিক যুগ। এখন প্রত্যেক পরিবারে জন প্রতি বাহারী রঙের ছাতা ব্যবহার করছে। ছাতার উৎকর্ষতায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার এতিহ্যবাহি জোংরা বা ফাতলা। এক সময়ের অতি প্রয়োজনীয় জোংরা নামে কোন কিছু ছিলো তা নতুন প্রজন্ম  চিনে না। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো জোংরা নাম একেবারে মুছে যাবে যা আর কোন দিন কেউ চিনবে না।

আরও খবর



6aee49fddeb18-071126034325.webp
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

২২ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে