বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন পরিকল্পনা অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র দাবদাহে ২৫ জনের মৃত্যু ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৪২, চলছে উদ্ধার অভিযান লালপুরে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে শ্রেণিকক্ষে বিষপান করলো পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী! শ্যামনগরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত সাতক্ষীরায় ৫৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লাখাইয়ের আইএফআইসি ব্যাংক বুল্লাবাজার শাখার মধুৃমাস উৎসব। ‎ ‎মোংলা বন্দরে ১৫৩৮ কোটি টাকার ম্যান্টেন্যান্স ড্রেজিং প্রকল্প: নাব্যতা ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ লাখাইয়ে সড়কের পাশের বটবৃক্ষটি রাতের আঁধারে কেটে ফেলেছে একটি চক্র। লালপুরে আদম আলী শিক্ষা বৃত্তির সনদ বিতরণ তজুমদ্দিনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত ঈশ্বরগঞ্জে পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত গলাচিপায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক, কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ বানিয়াচংয়ে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ পাঁচবিবিতে ৫০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার দিনাজপুরের চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের মতবিনিময় ‎সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কঠোর অবস্থানে কোস্ট গার্ড: বিশেষ নজরদারি ও আইনি অভিযানের ঘোষণা

আহসান উল্লাহ মাস্টার ছিলেন শ্রমজীবী খেটে খাওয়াদের সংগ্রামী জননেতা

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 07-05-2024 12:47:52 am

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মাস্টার ছিলেন শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষের সংগ্রামী জননেতা। তার স্বপ্ন ছিল মাদক-সন্ত্রাস মুক্ত টঙ্গী-গাজীপুর গড়ার।

আজ বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মাস্টারের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। 

স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত জনপ্রিয় শ্রমিক নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মাস্টারের ২০তম মৃত্যু বার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, শহিদ আহ্সান উল্লাহ মাস্টার (গাজীপুর-২, সদর-টঙ্গী) আসন হতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে দু’বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯০ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৩ ও ১৯৮৭ সালে দু’দফা পূবাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এই জননেতা ছিলেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য। তিনি জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস)-এর চেয়ারম্যান এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আজীবন মানবসেবায় নিয়োজিত এই ভাওয়াল বীর তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে শিক্ষক হিসেবেই পরিচয় দিতে ভালোবাসতেন, তিনি আমৃত্যু তাঁর নিজের প্রতিষ্ঠিত নোয়াগাঁও এমএ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও সমাজসেবামূলক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৯২ সালে উপজেলা পরিষদ বিলোপের পর উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির আহবায়ক হিসেবে উপজেলা পরিষদের পক্ষে মামলা করেন ও দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলেন। এক পর্যায়ে তিনি গ্রেফতার হন এবং কারাবরণ করেন। 

প্রধানমন্ত্রী শহিদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আরো বলেন, শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষের সংগ্রামী জননেতা আহ্সান উল্লাহ মাস্টারের স্বপ্ন ছিল মাদক-সন্ত্রাস মুক্ত টঙ্গী-গাজীপুর গড়ার। কালে কালে তিনি হয়ে উঠেন জঙ্গি-সন্ত্রাসের মদদদাতা বিএনপি-জামাত জোট সরকারের পথের কাঁটা। হাওয়া ভবনের প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিতে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতাদের নিশ্চিহ্ন করার নীল-নকশা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিএনপি-জামাত মদদপুষ্ট একদল সন্ত্রাসী ২০০৪ সালের ৭ মে নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আহ্সান উল্লাহ মাস্টারকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করে। শহিদ আহ্সান উল্লাহ মাস্টারের মৃত্যু বার্ষিকী সুষ্ঠুভাবে পালিত হোক-এটাই আমার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রী বলেন,একজন প্রিয় শিক্ষককে সন্ত্রাসীদের গুলি থেকে বাঁচাতে বুক পেতে দিয়েছিলো ছাত্র ওমর ফরুক রতন, সেও মৃত্যুবরণ করে। শুধু তাই নয়, আহসান উল্লাহ মাস্টার নিহত হওয়ার পর শোকার্ত, বিক্ষুব্ধ, প্রতিবাদী জনতার ওপর গুলি চালিয়ে আরো দু'জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে কিন্তু জোট সরকারের পুলিশ, সন্ত্রাসীদের না ধরে উল্টো গ্রেফতার করে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের হাজারো নেতা-কর্মীকে। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের বাহিনী এই হত্যাকান্ডের প্রধান সাক্ষীকেও বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে। এই নির্মম হত্যাকান্ডের বিচার কার্যক্রম এখনও চলছে। আশা করি, বিচারকার্য চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়ে বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর হবে। 

আরও খবর