স্বাভাবিক হচ্ছে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি: পেট্রোবাংলা ‘জাতিসংঘকে সমঝোতামূলক বিশ্বের কেন্দ্রে দেখতে চায় বাংলাদেশ’ জুমার দিন যে আমলগুলো ভুলবেন না “সেনবাগে নাড়ী, চট্টগ্রামে বাড়ী” শাহজাহান খোকনের পারিবারিক পরিচয় সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী মিরসরাইয়ে মুক্তিযোদ্ধা মেজর মোস্তফা কলেজে নবীন বরণ সৈয়দ ফজলুল হক কলেজে নবীনদের বরণ, শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণের প্রত্যয়। উলিপুর সরকারি কলেজের শিক্ষক অলোকেশ রায়েকে বিদায় সম্বর্ধনা মির্জাসহ স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের পৃথক মামলা কুলিয়ারচরে মাদকাসক্ত ছেলের দেওয়া আগুনে পুড়ল মা-বাবার মাথা গোঁজার ঠাঁই ‎কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে মোংলায় বিক্ষোভ মিছিল যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচ দিনের আলটিমেটাম ইরানের সাইফউদ্দিনের ইনজুরি, এশিয়ান গেমসে কপাল খুলল আলিসের সাগর উত্তাল, কমেছে গ্যাস সরবরাহ শ্মশান এলাকার ঘের ঘিরে মাদক বেচাকেনার অভিযোগ কুতু্বদিয়ায় ১টি গাছ থেকে ৬০হাজার টাকার ডাব বিক্রি শেরপুরে ইংলিশ স্পেলিং স্টার প্রতিযোগিতার কেন্দ্রভিত্তিক পুরস্কার বিতরণ জাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত জাহাঙ্গীর সেলিমের এমপিও ছাড়াতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নামে জাল চিঠি ডোমারে ভিডিপি-টিডিপির গাছের চারা বিতরণ সরকারি প্রণোদনায় চৌদ্দগ্রামে ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ চালু

স্পেনে বাংলাদেশি যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

স্পেনের বার্সেলোনায় মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন (৩১) নামে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তবে সড়ক দুর্ঘটনায় তার মুত্যু হয়েছে বলে পাকিস্তানি এক যুবকের মাধ্যমে জানতে পারে তার পরিবার। গিয়াস উদ্দিনের মরদেহ বর্তমানে বার্সেলোনায় (Tanatori - Crematori Àltima Figueres, Girona) আছে বলে জানা যায়।

মৃত যুবক গিয়াস উদ্দিন পটিয়ার কোলাগাঁও ইউনিয়নের নলান্ধা গ্রামের মোহাম্মদ নবীর বড় ছেলে।

গিয়াস উদ্দিনের ছোটভাই আশরাফ উদ্দিন আরমান  জানান, গত বুধবার সকালে আম্মুর সাথে বড় ভাইয়ের সর্বশেষ কথা হয়। এরপর সারাদিন তাকে আর ফোনে পাওয়া যায়নি। বুধবার ১২টার সময় তার বন্ধু পাকিস্তানের নাগরিক বিকিকে (ডাক নাম কাউছার) আম্মু ফোন দেন। প্রথমে তিনি তথ্য দিতে অস্বীকার করেন। পরে একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সড়ক দুর্ঘটনায় ভাইয়া নিহত হয়েছেন বলে রাত ১২টার দিকে জানান তার পাকিস্তানি বন্ধু। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত ওই পাকিস্তানি যুবকের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

গিয়াস উদ্দিনের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গিয়াসউদ্দিন সপরিবারে ওমানে বসবাস করতেন। সেখান থেকে ২০০৭ সালে স্পেনে পাড়ি দেন শিক্ষা ভিসায়। এরপর ২০০৮ সালে তাদের পরিবারের অন্য সবাই দেশে ফিরে যান। গিয়াসউদ্দিন ওমানে একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করছেন। স্পেনের বার্সেলোনায় যাওয়ার পর পড়াশোনার পাশাপাশি গিয়াস একটি রেস্টুরেন্টে চাকরি করতেন। চাকরিরত অবস্থায় কাউছার (বিকি) নামের এক পাকিস্তানি নাগরিকের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয়। তার সঙ্গে যৌথভাবে রেস্টুরেন্ট ব্যবসার জন্য তার পরিবার দেশ থেকে জুলাই মাসে দুই দফায় পাঁচ লাখ টাকা করে মোট দশ লাখ টাকা পাঠায়। চলতি বছর ব্যবসা-বাণিজ্য গুটিয়ে তার দেশে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল।

অন্যদিকে নিহতের পরিবারের ধারণা, ব্যবসার নাম করে পাকিস্তানি নাগরিক বিকি গিয়াস উদ্দিনকে প্রলোভন দেখিয়ে দশ লাখ টাকা বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যায়। এরপর বিকি পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

তিন ভাই এক বোনের মধ্যে গিয়াস উদ্দিন সবার বড়। সন্তানের মৃত্যুর খবরে তাদের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। যেকোনো কিছুর বিনিময়ে লাশটা যেন দেশে আনতে পারে, সেই আকুতি জানায় তার পরিবার। এজন্য তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে দূতাবাসে জানতে চাইলে দূতাবাসের দূতালয়প্রধান এটিএম আব্দুর রউফ মণ্ডল বলেন, আমরা খবর পেয়েছি। ইতোমধ্যে উনার পরিবারের সাথে যোগাযোগ হয়েছে। উনার ভাইকে আমরা বলেছি- একটি লিখিত পেপার আমাদের দূতাবাসে পাঠানোর জন্য যে উনারা লাশটা দেশে নিতে চান। আমরা পেপারের অপেক্ষা করছি, পেপার পেলেই আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারব।

Tag