|
Date: 2026-10-27 13:38:00 |
বাংলাদেশ-জাপান বন্ধুত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়ে অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও অভিন্ন সমৃদ্ধির শক্তিশালী চালিকাশক্তিতে রূপ দিতে চায় ঢাকা ও টোকিও।
উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ কর্মসংস্থান ও পারস্পরিক লাভজনক ব্যবসায়িক উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যয় জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘কানতেই’-এ যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ কর্মসংস্থান এবং উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক ব্যবসায়িক উদ্যোগের মাধ্যমে এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে আমরা জাপানি অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সাধারণ কাজ করে আমরা আমাদের দুই দেশের জন্য আরও স্থিতিশীল ও সুস্থতা ভবিষ্যৎ সহযোগিতা করতে পারি। আমাদের লক্ষ্য—দুই দেশের বন্ধুকে অর্থনৈতিক সুযোগ ও অভিন্ন সুস্থির চালিকাশক্তিতে পরিণত করা।
একসঙ্গে কাজ করে আমরা আমাদের দুই দেশের জন্য আরও স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট—দুই দেশের বন্ধুত্বকে অর্থনৈতিক সুযোগ ও অভিন্ন সমৃদ্ধির শক্তিশালী চালিকাশক্তিতে পরিণত করা।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপর যেসব দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে, জাপান তার একটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে জাপান বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী।
দশকের পর দশক ধরে গড়ে ওঠা বন্ধুত্ব, আস্থা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর বাংলাদেশ ও জাপানের অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন এ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ আমাদের সামনে এসেছে।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ খতিয়ে দেখতে এবং আমাদের উন্নয়নের পরবর্তী ধাপে অংশীদার হতে আমি জাপানের বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
© Deshchitro 2024