|
Date: 2026-10-18 12:31:11 |
রংপুরের পীরগাছায় জমি-সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন তৈরিতে অনিয়ম ও অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে তাম্বুলপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মনু মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিবেদনের পুনঃতদন্ত ও অভিযোগের সুষ্ঠু যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নয়া মিয়া।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন নয়া মিয়া। তিনি উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের পূর্বদেবু গ্রামের বাসিন্দা।
সংবাদ সম্মেলনে নয়া মিয়া জানান, পূর্বদেবু মৌজায় কবলা দলিলমূলে কেনা জমি তিনি প্রায় ১৩ বছর ধরে ভোগদখল করে চাষাবাদ করছেন। জমি নিয়ে রংপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এমআর ৯১৫/২৬ নম্বর মামলা চলমান রয়েছে। আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে জমির বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসকে বলা হয়।
নয়া মিয়ার অভিযোগ, গত ২৩ আগস্ট তাম্বুলপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়। তবে সরেজমিন তদন্তের সময় উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তি, জমিতে ধান রোপণকারী শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য প্রতিবেদনে যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়নি। বরং মনগড়াভাবে প্রতিবেদন তৈরি করে তাঁর ক্রয় করা জমির বিপক্ষে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক পরিচয়ে আসাদুল ইসলাম প্রতিবেদনের জন্য তাঁর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাঁর বিপক্ষে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন নয়া মিয়া।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পূর্বদেবু মৌজার জেএল নম্বর ১১১-এর আরএস ৭৬২ নম্বর খতিয়ানের ১৬১৯ ও ১৬৯৯ নম্বর দাগে তাঁর মোট ২০ একর জমি রয়েছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পুনঃতদন্তের আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
তাম্বুলপুর ইউনিয়ন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মনু মিয়া বলেন, ‘আমি সঠিকভাবে খোঁজখবর নিয়ে প্রতিবেদন দিয়েছি।’
© Deshchitro 2024