|
Date: 2026-09-18 19:13:20 |
লাখাইয়ে কৃষ্ণপুর গনহত্যা দিবসে আলোচনা ও শ্রদ্ধান্জলী নিবেদন।
লাখাই উপজেলা প্রশাসন ও কৃষ্ণপুর কমলাময়ী উচ্চ বিদ্যালয় ও কৃষ্ণপুর গ্রামবাসীর উদ্যোগে কৃষ্ণপুর বধ্যভূমিতে কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলার কৃষ্ণপুর গনহত্যা দিবসে উপজেলা প্রশাসন, কৃষ্ণপুর কমলাময়ী উচ্চ বিদ্যালয়, গ্রামবাসী এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা বধ্যভূমির শহীদ বেদিতে পুষ্প স্তবক অর্পন করে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ কালীন সময়ে সংঘটিত নারকীয় হত্যা যজ্ঞের শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরবর্তীতে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা বধ্যভূমি সংলগ্ন কমলাময়ী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।
লাখাই ইউনিয়ন এর ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নিরন্জন রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও এর প্রতিনিধি পজীব কর্মকর্তা একেএম আব্দুস শাহেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তি যোদ্ধা কমান্ডার আহবায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা কেশব চন্দ্র রায়।,বীর মুক্তিযোদ্ধা সুন্দর আলী,করাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু মৃদুল কান্তি রায়,কৃষ্ণপুর কমলাময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু লিটন চন্দ্র সূত্রধর।
সহকারী শিক্ষক বাবু গৌতম কুমার এর উপস্থাপনায় আলোচনায় অংশ নেন শহীদ পরিবারের সদস্য ও গ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গ।
গনহত্যার বিভীষিকা ময় স্মৃতি স্বরণ করে বক্তারা বলেন,
১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭১, ২রা আশ্বিন ১৩৭৮ বঙ্গাব্দ কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস।এদিন ভোরবেলা কৃষ্ণপুর গ্রামে ১২৭ জন নিরীহ গ্রামবাসীকে হাত বেঁধে লাইনে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ারে হত্যা করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও স্থানীয় রাজাকাররা।
নিরাপদ স্থান ভেবে অষ্টগ্রাম,স্বজনগ্রাম ও লাখাইসহ বিভিন্ন এলাকার নিরীহ হিন্দু জনগোষ্ঠী এখানে এসে আশ্রয় নেয়।তাদেরকেও হত্যা করা হয়।কিন্তু রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এখনো মেলেনি।
সরকার বাহাদুরকে সদয় হয়ে এই গণহত্যার স্বীকৃতির দাবি জানাই।
© Deshchitro 2024