টাঙ্গাইলের মধুপুরে কবিরাজি চিকিৎসার কথা বলে কিশোরীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে মধুপুর থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা এজাজুল করিম রেজাউল (৪০), মামলার পর পুলিশ এক অভিযুক্তকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে।

মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন-মধুপুর উপজেলার অরণখোলা এলাকার বাহারাম বাদশার ছেলে ইমাম হাসান হৃদয় (২৩), গোপদ এলাকার মকবুল হোসেনের ছেলে মোশারফ হোসেন (২৭) এবং মোখলেছুর রহমান মুকুলের ছেলে সেলিম ওরফে আল আমিন (৩১)।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর বয়স ১৭ বছর। প্রায় এক মাস ধরে তিনি বুকে চাপ অনুভব, হাত-পা বাঁকা হয়ে যাওয়া এবং জ্ঞান হারানোর মতো সমস্যায় ভুগছিলেন। একই ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত স্থানীয় এক কিশোরীর পরিবারের কাছ থেকে ভুক্তভোগীর পরিবার মোশারফ হোসেনের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে। পরে ইমাম হাসান হৃদয়ের মাধ্যমে মোশারফের সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত ১ সেপ্টেম্বর সকালে পরিবারের সদস্যরা কিশোরীকে নিয়ে মোশারফের বাড়িতে যান। সেখানে চিকিৎসার জন্য তাঁকে ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পরে মোশারফ কিশোরীকে চিকিৎসার কথা বলে একটি কক্ষে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর সেখানে ইমাম হাসান হৃদয় ও সেলিম ওরফে আল আমিন প্রবেশ করে কিশোরীর ওপর জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন চালান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

কিশোরীর চিৎকার শুনে তাঁর মা ও স্বজনেরা ওই কক্ষে প্রবেশ করলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় মোশারফ তাঁদের পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেন বলেও মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে মধুপুর থানায় মামলা করেন কিশোরীর বাবা। পরে পুলিশ সেলিম ওরফে আল আমিনকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে।

মধুপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অভিযোগ তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024