|
Date: 2026-09-02 18:11:02 |
আবু তালেব, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি :
নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়ে নওসারা সুলতানপুর চরের ৩০টি পরিবারের বাড়িঘর ও ফসলি জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নওসারা সুলতানপুর পদ্মার চরে এ তীব্র নদীভাঙন দেখা দেয়। স্থানীয়রা জানান, পদ্মার পানির প্রবল স্রোতে চোখের পলকেই বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীতে তলিয়ে যেতে থাকে। হঠাৎ এ ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার। বাড়িঘর বিলিন হওয়া পরিবার হলো আবের প্রামানিক ,বানের পা্রামানিক , আশরাফ পা্রামানিক , সাইদুল মন্ডল, সাইদুল ইসলাম, বিমলা খাতুন, হামেদ মন্ডল , কামরুল মন্ডল, রাজিয়া খাতুন, ঝর্ণা খাতুন, জামাত মোল্লা , শহীদ সরদার, নবাব আলী , কহিনুর, আনোয়ারা বেগম, আনারুল প্রমানিক, সুখেজান খাতুন, সাহাজুল ইসলাম, বুলুয়ারা খাতুন, শান্তি বেগম, কুদ্দুস সরদার, আমাল আলী, শান্তি আক্তার, রেবেকা খাতুন, রফিকুল ইসলাম, ফেরদৌসী খাতুন, রেজাউল মন্ডল, জালেফ মন্ডল ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিলমাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আনোয়ার হোসেন জানান, নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে আচমকা স্রোতের তীব্রতা বেড়ে যায়। এতে মুহূর্তের মধ্যেই নওসারা সুলতানপুর চরের প্রায় ৩০টি পরিবার তাদের বসতবাড়ি হারায় এবং বহু ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে আরও অনেক বসতভিটা ও আবাদি জমি।
ভিটেমাটি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।
এ ব্যাপারে বিলমাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ছিদ্দিক আলী মিষ্টু বলেন, ইউএনও মহোদয়কে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।
লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আবীর হোসেন জানান, সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করা হবে ক্ষতি কমানোর এবং সাহায্য প্রদানের।
© Deshchitro 2024