অভিজাত ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই বাংলাদেশ সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন. জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, অস্ত্র উদ্ধার, মানবপাচার ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে অত্যন্ত সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।


এরই ধারাবাহিকতায়, অদ্য ১৯ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখ দুপুর ১২:৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন বসুন্ধরা এলাকায় একটি সফল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে উক্ত এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করে সন্দেহভাজন যানবাহন ও ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিকালে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত একজন নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে নিয়োজিত নারী র‌্যাব সদস্য কর্তৃক ধৃত আসামির দেহ তল্লাশি করে তার হেফাজত হতে সর্বমোট ১০,০০০ (দশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক কারবারে ব্যবহৃত ০১টি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। 


গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম ও ঠিকানা: নুর ফাতেমা (৪০), পিতা-ইমাম হোসেন, মাতা-মৃত আনোয়ারা বেগম, স্বামী-মোঃ শফি আলম, সাং-ধেচুয়া পালং, পোস্ট-রাবেতা, ০৬ নং ওয়ার্ড, খুনিয়া পালং ইউপি, থানা-রামু, জেলা-কক্সবাজার।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত নারী পেশাদার মাদক কারবারি। সে দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অবৈধভাবে ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল এবং তার বিরুদ্ধে কক্সবাজারের রামু থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে। উদ্ধারকৃত মাদকসহ গ্রেফতারকৃত নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মাদকপাচার ও এ ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে র‌্যাব-১৫ এর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। 

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024