.লাখাইয়ে সিংহগ্রাম ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসা থেকে আলালপুর গোরস্তানের রাস্তার বেহাল দশা, জনভোগান্তী চরমে। লাখাই উপজেলার ৫ নম্বর করাব ইউনিয়ন এর সিংহগ্রাম ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসা হইতে আলালপুর গোরস্তান পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তার বেহাল দশা। দীর্ঘদিন ১৮ বছর যাবত এ রাস্তায় কোন সরকারি বরাদ্দ বা উন্নয়ন ও সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি বিধায় এলাকার জনগণের ভোগান্তি চরমে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এ রাস্তাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত পরিবারের লোকজন চলাচল ও যানচলাচল করে থাকে। এ ছাড়া পুরো গ্রামবাসী র গোরস্থানে যাওয়া আসার একমাত্র রাস্তা এটি।গ্রামের জামে মসজিদ, সিংহগ্রাম ইয়াসিনিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গমনাগমনে এ রাস্তাটি ব্যবহার হয়ে আসছে। কিন্তু দূঃখ জনক হলেও সত্য দীর্ঘ ১৮ বছরেও এ রাস্তাটির উন্নয়নে সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। ফলে রাস্তাটি ক্ষতি গ্রস্থ হতে হতে রাস্তার পাশের পানি নিষ্কাশনের নালার সাথে মিশে যায় এবং সামান্য বৃষ্টি পাত হলেই রাস্তা ও নালা জলে একাকার হয়ে পড়ে। এতে এ রাস্তায় চলাচলকারীদের ভোগান্তি চরমে ওঠে। এ অবস্থা থেকে উত্তোরনে বিগত ৭ বছর যাবত এ রাস্তাটি স্থানীয় মহল্লাবাসী উদ্যোগ গ্রহণ করে তাদের নিজস্ব অর্থায়নে ও স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তাটি চলাচল উপযোগী করে তুলতে চেষ্টা চালিয়ে আসছে।স্থানীয়রা জানান আমরা মহল্লার লোকজন ও গ্রামের অনেকের সহায়তায় সম্মিলিত প্রয়াসে বিভিন্ন সময়ে রাস্তাটি চলাচল উপযোগী করে তুলতে প্রায় ৭/৮ টাকার মতো উন্নয়ন কর্মকান্ড চালিয়েছি এবং এরই ধারাবাহিকতায় এবছরও আমরা নিজস্ব উদ্যোগে বাঁশ দিয়ে রাস্তার ভাংগন প্রবন স্থানে বেড়া দিয়ে দূরবর্তী স্থান থেকে মাটি ফেলে রাস্তা টি মেরামতের কাজ করে আসছি।তারা আরোও জানান আমরা প্রতি বছর কমবেশি মাটি ভরাট,ইটের কোয়া,প্রয়োজনীয় বেড়া দিয়ে রাস্তাটি চলাচল উপযোগী করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি তবে বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টি পাত এর ফলে তা ক্ষতি সাধনের হয়ে নালায় মিশে যায়। এমতাবস্থায় এ রাস্তাটি টেকসই ও জনভোগান্তী দূরীকৃত করতে এ সরকারিভাবে পাকা ড্রেনসমেত পাকা করনের বিকল্প নেই। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ও উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আলহাজ্ব জানে আলম এর সাথে আলাপকালে জানান আমাদের এ রাস্তাটি গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। দীর্ঘ ১৮ বছরে এ রাস্তার সরকারিভাবে কোন উন্নয়ন হয়নি। এতে আমরা চরম ভোগান্তিতে।এ ভোগান্তি লাঘবে আমার নেতৃত্বে মহল্লার লোকজনকে নিয়ে ৬/৭ বছর যাবত কমবেশি উন্নয়ন ও সংস্কারের চেষ্টা চালিয়ে আসছি কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।আর যা আমরা করছি তা বর্ষামৌসুমে ক্ষতি গ্রস্থ হয়ে পূর্বেকার অবস্থায় ফিরে যায়।স্থায়ী কোন সুরাহা করতে পারছিনা।এমতাবস্থায় এ রাস্তাটি পাকা ড্রেন নির্মান পূর্বক রাস্তাটি পাকা করনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে সংসলিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি'।
প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024