পটুয়াখালীর গলাচিপায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিতে হয়েছে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের। বুধবার গলাচিপা মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের এই ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। জানা যায়, ঝড়-বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ে অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেনি। আজকে চারটি বিষয়ে মোট ৩০৬ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও ২৫ জন অনুপস্থিত ছিল। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কেন্দ্রটিতে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিতে বাধ্য হয়। এতে তাদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটে এবং স্বাভাবিক পরিবেশে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় তারা। পরীক্ষার হলে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সজল দাস। তিনি বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরীক্ষার কেন্দ্র আহবায়ক দায়িত্বে ছিলেন সৌমিত্র সরকার। এদিকে গলাচিপা শহরে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষার কার্যক্রম চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ে। স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন সৌমিত্র সরকার। অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের ছেলেমেয়েরা মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে—এটা খুবই দুঃখজনক। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জেনারেটরের ব্যবস্থা থাকলেও এখানে এমন কোনো বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়নি।” এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে, তবে অল্প সময়ের মধ্যেই তা স্বাভাবিক করা হবে। অভিভাবকরা দ্রুত এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং ভবিষ্যতে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।
প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024