কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে মাহামুদুল হাসান ৪ ডিসেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর তিনি সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, আমাকে মূলতঃ একটি সুন্দর গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার জন্য পাঠানো হয়েছে। আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। এসময় সবাই সহযোগিতার আশ্বাস দেন। শুরু হলো তার অফিসের কর্মযজ্ঞ। একের পর এক সব দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা করে তৈরি করে ফেললেন একটি বিশাল টীম। উপজেলা প্রশাসন ফিরে পেল প্রাণ। গতি বেড়ে গেল উপজেলার প্রতিটি দপ্তরের। জনগন তার ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে শুরু করলো। উপজেলার পাশাপাশি ঝিমিয়ে পড়া উলিপুর পৌরসভা যেন প্রাণ ফিরে পেলো। যে পৌরসভা পৌরবাসীর সেবাহীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিলো। নিয়মিত তদারকির ফলে পৌরসভার যানজট নিয়ন্ত্রণে ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করায় উলিপুর পরিচ্ছন্ন শহরে পরিণত হয়েছে। তিনি সবার সাথে একটা সৌহার্দ্যের সম্পর্ক গড়ে তুললেন। জনগণের যে কোন সমস্যা দ্রুত  সমাধানের মাধ্যমে জনগণের মাঝে আস্হা অর্জন করে ফেললেন। পুরো উপজেলা প্রশাসন তার নেতৃত্বে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিলো। যে নির্বাচন নিয়ে কোন পক্ষের অভিযোগ ছিলো না। এ ছাড়াও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসসহ অন্যান্য দিবসে দক্ষতার সাথে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হোন।

সুচারুভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি দেখিয়ে দিয়ে গেলেন একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা তার সঠিক দায়িত্ব পালন করলে বা কতটুকু জনবান্ধব হলে মানুষের মাঝে স্হান করে নিতে পারেন। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তার দক্ষতা অনূকরণীয়। তিনি সবার সাথে পরামর্শক্রমে সিদ্ধান্ত নিতেন। তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন শেষে ১৬ এপ্রিল বর্তমান সহকারী কমিশনার (ভূমি)  এস এম মেহেদী হাসান এর নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে তার পুরনো কর্মস্থলে ফিরে যান। এর মধ্যে দিয়ে উলিপুর উপজেলা তাঁর কর্মকালের সমাপ্তি ঘটে। স্বল্প সময়ে তার দায়িত্ব পালন উলিপুরের জনগনের মাঝে প্রদীপ হবে জ্বলবে।

এভাবে সকল কর্মকর্তা তাঁর উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করলে বদলে যাবে বাংলাদেশের সব উপজেলাগুলোর চিত্র, জনগন পাবে তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা । #



প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024