ধারাবাহিক পতনের কবলে পড়েছে দেশের রপ্তানি খাত। গত মার্চ মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ১৮ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। এ মাসে আয় দাঁড়িয়েছে ৩৪৮ কোটি মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ৪২৮ কোটি ডলার। 


গতকাল বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।


ইপিবি জানায়, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে পণ্য রপ্তানিতে ২৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। এরপর প্রতি মাসেই আয় কমছে। গত ফেব্রুয়ারিতে ৩৫০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই আয় দশমিক ৫০ শতাংশ কম।


দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক থেকে। পোশাক রপ্তানি কমলে সামগ্রিক আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। গত আগস্ট থেকে মার্চ পর্যন্ত টানা আট মাস পোশাক রপ্তানি কমেছে। রপ্তানিকারকদের মতে, যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা কমেছে। রপ্তানি আদেশ স্থগিত বা বাতিল হওয়ায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক আয়ে।


ইপিবির প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত মাসে পোশাক খাতে রপ্তানি কমেছে ১৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। নিটওয়্যারে ২১ দশমিক ২০ শতাংশ ও ওভেনে ১৭ দশমিক ৩২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি কমেছে। অধিকাংশ প্রধান রপ্তানি খাত পিছিয়ে থাকলেও হিমায়িত ও জীবিত মাছ, চামড়া ও প্রকৌশল পণ্য ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।


তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৮০ কোটি ৬৫ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ৩ হাজার ৭১৯ কোটি ১৩ লাখ ডলার। অর্থাৎ অর্থবছরের ৯ মাসে সামগ্রিক রপ্তানি কমেছে ৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024