|
Date: 2026-02-12 14:59:11 |
আজ (বৃহঃস্পতিবার) বাঙালি জাতির ১৬ বছরের প্রতিক্ষার বহুল কাঙ্ক্ষিত ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঢাকা-২০(ধামরাই) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে ফেক্টর নারী ও আওয়ামী লীগ ভোটার। ধামরাইয়ে মোট ভোটার সংখ্যা রয়েছে ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৬৩৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮৩৫ জন ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮০২ জন। পুরুষ অপেক্ষা নারী ভোটারের সংখ্যা ৯৬৭ জন বেশি। এরপরেও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভোটারদের উপর নির্ভর করছে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীদের জয়-পরাজয়। ঢাকা-২০(ধামরাই) আসনে নারী ও আওয়ামী লীগ ভোটার যে প্রার্থীকে বেছে নেবেন কিংবা রায় দেবেন সেই প্রার্থীই জাতির বহুল কাঙ্ক্ষিত ১৬ বছরের অপেক্ষার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করবেন। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করছেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য শিল্পপতি আলহাজ্ব তমিজউদ্দীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জুলাই আন্দোলনের অন্যতম কর্ণধার এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকের ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ, ১১ দলের অপর প্রার্থী (উন্মুক্ত নীতি অবলম্বনে) খেলাফত মজলিসের দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকের মুফতি আশরাফ আলী, ১১ দলের আরেক প্রার্থী (উন্মুক্ত নীতি অবলম্বনে) এবি পার্টির ঈগল পাখি প্রতীকের কর্নেল(অব.) হেলাল উদ্দিন আহমেদ ও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আহসান খান আছু।
জাতীয়তাবাদী দলের বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ শিল্পপতি আলহাজ্ব তমিজউদ্দীনের সঙ্গে নির্বাচনী মাঠ বিচার-বিবেচনায় নবীন রাজনীতিবিদরা অনেকটা পিছিয়ে থাকলেও নারী ভোটারদের কারণে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন জুলাই যোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ। এছাড়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভোটাররা যেদিকে ভোট প্রয়োগ করবেন সেদিকেই ফলাফল পাল্টে যেতে পারে বলে সমাজ সচেতনশীল মহলের অভিমত ও ধারণা। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে খেলাফত মজলিসের দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী মুফতি আশরাফ আলী ইসলামিমনা ভোটারদের ভোট পেয়ে শক্ত অবস্থানে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিজ্ঞ রাজনীতিবীদদের ধারণা।
এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভোটার দেশচিত্রকে বলেছেন, জুলাই যোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ ও আলহাজ্ব তমিজউদ্দীনের মধ্যেই জয়-পরাজয় নির্ধারণ হবে।
© Deshchitro 2024