নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) এম সাখাওয়াত হোসেন ঘাট দখল সম্পর্কে বলেন, আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলের নেতার যেভাবে ঘাট দখল করে এবং ঘাটকে তার যেভাবে নিজেদের সম্পত্তি মনে করে, আপনারা তা হতে দেবেন না। বিগত ১৬-১৭ বছরের পুণরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে আপনারা সকলে তা প্রতিহত করবেন।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালী হাতিয়ার নলচিরা ঘাট পরিদর্শনে এসে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
নৌ উপদেষ্টা বলেন, এর আগে আমাদেরকে এখানে আসতে দেওয়া হয় নাই। আমরা এখানে আসতে পারি নাই, কাজ করতে পারি নাই। স্থানীয় নেতা এগুলো দখল করে রেখেছিল। কেন একটা নদী বন্দর ঘোষণা করতে কেন এত বছর লাগলো। বন্দর হলে আমরা বন্দরের উন্নয়নের কাজ করতে পারতাম। কিন্তু তা না করে অন্তবর্তী সরকারকে আবার প্রথম থেকে শুরু করতে হচ্ছে। আপনারা নেতা সিলেক্ট করবেন সে এসে ঘাট দখল করবে। তার আগেও এভাবে ঘাট দখল করে রাখা হয়েছিল।
তিনি বলেন, ঘাট মানুষের সম্পদ সরকারের সম্পদ। এটাকে আপনারা দেখে শুনে রাখতে হবে। আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলের নেতার যেভাবে ঘাট দখল করে এবং ঘাটকে তারা যেভাবে নিজেদের সম্পত্তি মনে করে, আপনারা তা হতে দেবেন না। বিগত ১৬-১৭ বছরের পুণরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে। আপনারা সকলে তা প্রতিহত করবেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, হাতিয়ার নলচিরা চেয়ারম্যন ঘাটে রুটে শীঘ্রই ফেরী চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমি চাই আমি থাকতেই এ ফেরী যেন উদ্ধোধন করতে পারি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সলিমুল্লাহ, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, হাতিয়া দ্বীপ সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডাক্তার জাহেদুল আলম, সাধারণ সম্পদক আনোয়ার হোসেন যতন সহ স্থানীয় শিক্ষক, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
এর আগে নৌ পরিবহন উপদেষ্টা স্পীডবোট যোগে নলচিরা ঘাটে পৌঁছালে এনসিপির নেতাকর্মীরা স্বাগত জানান।