সম্পত্তির বিরোধে সংবাদ সম্মেলন

‎নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার ৬ নং কাবিলপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড মইজীপুর গ্রামের   এনামূল হক (৬২), পিতা- মৃত আবু তাহের, গ্রামঃ মইজদীপুর, ( মুন্সি বাড়ী),  অদ্য ৪ ঠা অক্টোবর সকাল ৯ ঘটিকার সময় সাংবাদিক সম্মেলন করেন 

‎ আবদুল মান্নান (৬৩), পিতাঃ মৃত আবদুর রশীদ, গ্রাম : মইজদীপুর, ০৯ নং ওয়ার্ড, ৬ নং কাবিলপুর ইউনিয়ন, থানাঃ সেনবাগ, জেলাঃ

‎নোয়াখালী বিপক্ষে। 

‎সাংবাদিক সম্মেলনে এনাম বলেন গতকাল   ০৩/১০/২০২৫ইং তারিখ, সকাল অনুমান ০৭:০০ ঘটিকায় ‎ঈদগা দোকানের সামনে।বর্ণিত বিবাদী অত্যান্ত বধ মেজাজী, উশৃংখল, আইন অন্যান্যকারী প্রকৃতির লোক

‎হয়। বিবাদী আমাদের একই বাড়িতে বসবাস করে। স্বাধীনের পূর্বে বিবাদীর পিতা মৃত আবদুর রশিদের নিকট আমাদেও পূর্ব পুরুষ হোসেন আলী

‎পড়িত মইদীপুর মৌজার সাবেক ১০১১ নং দাগে ০৬ শতাংশ আন্দওে ০৪ শতাংশ জায়গা সাব কবলা মূলে বিক্রি করে। বাকি ৩২ শতাংশ আজবদী আমরাই ভোগ দখলে ছিলাম আছি। গত ০২ বছর পূর্বে বিবাদী উক্ত ০৪ শতাংশ জায়গা আমরা আপন 

‎আতিক ভাইয়ের নিকট সাব কবলা মূলে বিক্রি করি। আমাদের পূর্বের পৈত্রিক ০২ শতাং ও উক্ত দাগে বিবাদীর নিকট থেকে ক্রয়কৃত ০৪

‎শতাংশ সহ মোট ১৬ শতাংশ জায়গা আমরা বিগত ০২ বছর ধওে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখলদার আছি। বিগত কিছুদিন দরে বিবাদী সাবেক ১০১১ নং

‎দাগে বিবাদীর পিত মৃত আবদুর রশীদেও নিকট ০৬ শতাংশ আন্দরে ০৪ শতাংশ জায়গা সাব কবলা বিক্রি করি পরে যে ০২ শতাংশ জায়গা আমাদের

‎অবশিষ্ট ছিলো বিবাদী তাহা এখন তার দাবি করে। বিবাদী জালিয়াতি কওে ০২ জায়গা তাহার খতিয়ানে অন্তর্ভূক্ত করে পেলে। আমরা তাকে দলিল

‎দেখাতে বললে বিবাদী কোন দলিল দেখাতে পারে না । উল্টো আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মারার জন্য তেড়ে আসে। বিবাদী এলাকার প্রভাবশালী

‎বিদায় আমরা ভয়ে কথা বলি না। বিবাদী বর্তমানে স্বপরিবারে ঢাকা বসবাস করে। । প্রায় ৬/৭ দিন আগে বিবাদী বাড়ীতে আসে। বাড়িতে এসে বিবাদী ‎গোপনে ভূয়া খতিয়ান করা আমাদের ০২ শতাংশ জায়গা অন্যত্র বিক্রির জন্য বায়না চুক্তি করে ফেলে। আমরা তাহা এলাকার লোক মুখে শুনতে পাই।‎শুনতে পেয়ে আমি এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গদের বিষয়টি অবগত করি । এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গদ্বয় বিবাদীর বাড়ি গিয়ে বিষয়টি জানতে ‎চাইলে বিবাদী উনাদেরকে বলে আমার জায়গা আমি বিক্রি করতেছি আপনাদের কি। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিবাদীর কাছে দলিল দেখতে চাইলে

‎বিবাদী কোন দলিল দেখাতে পারে নি। ঘটনার তারিখ ও স্থানে বিবাদী আমাকে দেখতে পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে গালাগালি শুরু করে। আমি যদি বিবাদীকে

‎জায়গা বিক্রি করতে বাধা প্রদান করি তাহলে আমাকে মারধর করবে। উক্ত ঘটনার তারিখে রাত অনুমান ১০ ঘটিকায় সময় আমি দিলদার মার্কেট থেকে

‎সবজি বিক্রি করে বাড়ি ফেরার পথে আমাদের বাড়ির মসজিদের কাছাকাছি আসার পর অজ্ঞাত নামা ৬/৭ জন আমাকে দাওয়া করে। আমি দৌড়ে

‎আমার বাড়িতে ঢুকে গিয়ে নিজেকে প্রাণে রক্ষা করি।এমতো অবস্থায় আমি প্রশাসন ও সেনবাগ বাসীর মাধ্যমে এর সুষ্ঠু বিচার চাচ্ছি। 


এ-ই ব্যাপারে বিবাদী আবদুল মান্নান সাহেব কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমার মানহানি করার জন্য এনাম এ-ই সব মিথ্যা বানোয়াট কথা বার্তা বলছে,মূলত তাহার নিকট তাহার বক্তব্যর পক্ষে কোন কাগজপত্র না-ই। আমার নিকট সমস্ত কাগজপত্র আছে বলে সে গুলো আমাদের সামনে উপস্থাপন করেন। মান্নান সাহেব আরো বলেন কয়েকদিন আগে গ্রাম বৈঠকে বিচারকরা কাগজপত্র চাইলে তখনো এনাম কোন কাগজপত্র দেখাতে পারে না-ই তাহার স্বপক্ষে,তখন বিচারক গণ রাগান্বিত হয়ে বিচার কার্যক্রম থেকে উঠে চলে যান।আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি তাহার বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য। 

প্রকাশক : কাজী জসিম উদ্দিন   |   সম্পাদক : ওয়াহিদুজ্জামান

© Deshchitro 2024